শিরোনাম
মঙ্গলবার সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী, শাহজালাল (রহ.) মাজার নিয়ে সভা সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন কমিটির অনুমোদন সিলেটে নি/খোঁ/জ শিশুদের নিয়ে প্রতারণার নতুন ফাঁদ: মাদ্রাসা ছাত্রের ভুয়া ভিডিও সিলেটে হাম উপসর্গে মৃ/ত্যুহীন দিনে ভর্তি ১৩৭ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ কবে শেষ হবে জানালেন মন্ত্রী মাদ্রাসায় পড়তে অনাগ্রহ, নিজেরাই পালিয়েছিলো সিলেটে নিখোঁজ দুই ছাত্র খুলনায় ‘ভাত চুরির’ অপবাদে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে ‘পিটিয়ে হত্যা’ ‘তৌহিদী জনতার’ আপত্তির মুখেও সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকা বাইচ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ছয় লেন: শেষ হবে ২০২৯ সালের জুনে ‘আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে, এটা কোন দেশ’- অপ্রতীমকে হারিয়ে মায়ের আহাজারি

https://www.emjanews.com/

18508

national

প্রকাশিত

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:৪৯

জাতীয়

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:৪৯

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্ঘটনা রোধে গণপরিবহণে ‘গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম’ বা জিপিএস প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি যানবাহনের অবস্থান ও গতিবিধি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই তথ্য জানান।

সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সানজিদা ইয়াসমিনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে গণপরিবহণ কোথায় আছে এবং কত গতিতে চলছে, তা সহজেই জানা যাবে। এর ফলে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো অনিয়মগুলো কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

কোনো যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করলে বা ট্রাফিক আইন অমান্য করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হয়ে যাবে, যার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের দক্ষ করে তোলার ওপরও জোর দিচ্ছে সরকার। নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, পেশাদার চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের সময় দক্ষতা ও সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৭৬ হাজার ৪৬৩ জন চালককে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ট্রাফিক সাইন, রোড মার্কিং, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের কুফল এবং মাদক সেবনের ভয়াবহতা সম্পর্কে চালকদের সচেতন করা হচ্ছে।

এছাড়া ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’-এর অধীনে আরও ৬০ হাজার চালককে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ হাজার নতুন চালককে মৌলিক শিক্ষা এবং ২০ হাজার অভিজ্ঞ চালককে ভারী যানবাহন পরিচালনার ওপর উচ্চতর রিফ্রেশার কোর্স করানো হবে। দক্ষ চালক তৈরি হলে সড়ক দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন সেতুমন্ত্রী।