শিরোনাম
সিলেটের এক জেলায় পরিবহন ধর্মঘট আজ: বিভাগজুড়ে ভোগান্তির আশঙ্কা সিলেটে ট্রাকের উপরে বালি, নিচে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চালান এবার কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী: উন্নয়নকাজে অনিয়ম ঠেকাতে দরকার স্থানীয়দের নজরদারি সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন আট/ক, শতাধিক গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সহকারী অধ্যাপক পদে ২৮ চিকিৎসকের পদোন্নতি: সিলেটের দুজন যাদুকাটার দুই মহালে বালু উত্তোলন স্থগিত, হাইকোর্টের রুল সিলেট-ঢাকা যাত্রায় কমবে ৪০ কিলোমিটার পথ, সরাইল-নাসিরনগর সড়কের কাজ শুরু

https://www.emjanews.com/

19216

sylhet

প্রকাশিত

০১ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৪২

সিলেট

সিলেটে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ: ফেলে গেলো রেলস্টেশনে

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৪২

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। পরে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতাররা হলেন- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর এলাকার সাদিক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৩১), শহরের মিশন রোড এলাকার তাউল মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং সোনার বাংলা সড়ক এলাকার মমিনুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ইসলাম (২০)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিশোরীটি শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিলবাড়ি সড়কের একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে সিএনজি অটোরিকশায় এসে আসামিরা তার পথরোধ করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

পরে তাকে ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরদিন সকাল ৯টার দিকে আসামিরা কিশোরীটিকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগায় ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আবদুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।