শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে প্রাথমিকের নতুন শিক্ষকদের পদায়ন পেছালো নিজের ঘর সামলান, তারপর অন্যকে নসিহত: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী ‘হুজুর মাথা টিপার কথা বলে রুমে ডেকে প্যান্ট খুলে ফেলতেন’-নির্যাতিত শিশুর বর্ণনা কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে তাণ্ডব, ৮ হাজারের অধিক পানগাছ কর্তন​ সিলেটে ভারতীয় অ/স্ত্রসহ কোটি টাকার চালান জব্দ সিলেটে যে ভাইরাসে হলো কিশোরের প্রাণহানী এবার কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ২০২৮ সালের মধ্যে সিলেট অংশের ছয় লেনের কাজ শেষ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত: কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী: উন্নয়নকাজে অনিয়ম ঠেকাতে দরকার স্থানীয়দের নজরদারি

https://www.emjanews.com/

19243

national

প্রকাশিত

০১ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৪৭

জাতীয়

জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি কিনতে ১৯৩ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৪৭

ছবি: সংগৃহীত

দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র খাওয়ার বড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ জন্য ব্যয় হবে ১৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

ক্রয়সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি চক্রের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৫ পয়সা। ‘চক্র’ বলতে একজন নারীর এক মাস ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত একটি পূর্ণ প্যাকেট বা কোর্সকে বোঝানো হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়ায় একমাত্র দরদাতা হিসেবে রেনাটা পিএলসিকে সরবরাহের কাজ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তৃতীয় প্রজন্মের খাওয়ার বড়ি সরবরাহ করবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

‘সমাপ্ত ৪র্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অসমাপ্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন’ প্রকল্পের আওতায় এসব বড়ি কেনা হচ্ছে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৩৯ শতাংশ সক্ষম দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণে খাওয়ার বড়ির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে মজুত থাকা বড়ি দিয়ে এক মাসেরও কম সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এ কারণে সরবরাহে যাতে ঘাটতি না হয়, সে জন্য নতুন করে বড়ি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।