শিরোনাম
ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সিলেটে মোটরবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল কিশোরের পাঠ্যবই ছাপায় ২৫০ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ, সময়মতো বই পাওয়া নিয়ে শঙ্কা সৌদিতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী সিলেটে ছাত্রকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রে/ফ/তা/র সিলেটে মিছিল দিতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফ/তার সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ: সতর্ক থাকবেন যেসব বিষয়ে নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে ক্ষোভ, ‘আপনি সন্ত্রাসী, পুলিশ ও শিশু হত্যাকারী’ ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

https://www.emjanews.com/

19580

sylhet

প্রকাশিত

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৫১

সিলেট

অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য কাজলের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি পরিবারের

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৫১

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মোহাম্মদ ফজলুর রহিম কাজলের (৫৫) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে তাঁর পরিবার। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং এ ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামে নিহতের বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। এতে নিহতের স্ত্রী, বড় ভাই, দুই সন্তানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর ফজলুর রহিম কাজল নওধার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৭ অক্টোবর সকালে প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের উদ্দেশ্যে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ওই দিন দুপুরে এক স্বজন তাঁকে ধর্মপাশামুখী একটি অটোরিকশায় দেখেছেন বলে পরিবারকে জানান। এরপর তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মারুফ হাসান রনক ৭ অক্টোবর রাতে ধর্মপাশা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

পরে ৯ অক্টোবর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামসংলগ্ন কংস নদের পাড়ের একটি জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাঁরা কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না। তবে কীভাবে ফজলুর রহিম কাজল নিখোঁজ হলেন, মৃত্যুর আগে তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল, তিনি ব্যাংকে গিয়েছিলেন কি না এবং তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা চক্র জড়িত কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদ্‌ঘাটন করতে হবে।

পরিবারের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার সময় থেকে মরদেহ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত তাঁর চলাচল ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই, ব্যাংক লেনদেনের তথ্য আইনসম্মতভাবে পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ। এ ছাড়া তদন্তে কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, তদন্তের অগ্রগতি পরিবারকে জানানো এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁরা কোনো প্রতিহিংসা চান না। তাঁরা চান, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটিত হোক এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনের আহ্বান জানান তাঁরা।