শিরোনাম
নিউইয়র্কে কিশোরী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ৭২ বছর বয়সী চিকিৎসক গ্রেপ্তার তাহসিফ সৌরির মৃত্যু: বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই জাপানে বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান সিলেটসহ সব সিটিতে ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য নতুন নিয়ম সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ঘিরে প্রস্তুতি, নিবন্ধন ৪৩ হাজার রায়হান হ/ত্যাকাণ্ড: দণ্ডপ্রাপ্ত আ/সামিদের কে কোথায়, ক্ষুব্ধ মা রায়হান হ/ত্যা মা/মলায় আকবরের মৃ/ত্যুদণ্ড, দুই পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন সিলেটে চাঞ্চল্যকর সাবানা হ/ত্যা/কা/ন্ডে ৪ জনের ফাঁ/সি সিলেটসহ সারাদেশে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনের সময় বাড়ল

https://www.emjanews.com/

20119

sylhet

প্রকাশিত

৩০ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫০

সিলেট

শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামা সেলাই করে দিলেন প্রধান শিক্ষক নাইলা বেগম

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫০

ছবি: ইমজা নিউজ

শিক্ষার্থীর গায়ের ছেঁড়া জামা দেখে নিজেই সুঁই-সুতো হাতে নিয়ে তা সেলাই করে দিলেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বেরীকান্দি বড়খলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ নাইলা বেগম। শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর প্রতি তাঁর এমন মাতৃসুলভ মমতা ও মানবিক আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে এক কোমলমতি শিক্ষার্থীর জামা ছেঁড়া দেখতে পান প্রধান শিক্ষক মোছাঃ নাইলা বেগম। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি নিজেই সুঁই-সুতো ও কাঁচি হাতে নিয়ে জামাটি সেলাই করে দেন। একজন প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক দায়িত্বের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীর প্রতি এমন আন্তরিকতা ও যত্নের দৃশ্য সহকর্মীদের মুগ্ধ করেছে।

বিদ্যালয়ের এক সহকর্মী জানান, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু পাঠ্যবইয়ের পাঠদান কিংবা বিদ্যালয় পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের প্রতি মমতা, তাদের ছোট ছোট সমস্যার প্রতি সংবেদনশীলতা এবং প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই একজন শিক্ষকের প্রকৃত মানবিক রূপ প্রকাশ পায়। মোছাঃ নাইলা বেগমের এই উদ্যোগ তারই দৃষ্টান্ত।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীর ছেঁড়া জামা সেলাই করে দেওয়ার ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও এর মধ্যে রয়েছে গভীর মানবিক শিক্ষা। কোনো উপদেশ না দিয়েই প্রধান শিক্ষক বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষাঙ্গন কেবল পাঠদানের স্থান নয়; এটি স্নেহ, ভালোবাসা ও যত্নে গড়ে ওঠা একটি পরিবার।

সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, মোছাঃ নাইলা বেগমের এমন আচরণ বিদ্যালয়ের প্রতি তাঁদের শ্রদ্ধা ও গর্ব আরও বাড়িয়েছে। একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর এই মানবিক দৃষ্টান্ত অন্যদেরও শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও যত্নশীল হতে অনুপ্রাণিত করবে।

শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি তাদের প্রতি সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা প্রদর্শন যে আদর্শ শিক্ষকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ, মোছাঃ নাইলা বেগমের এই উদ্যোগে তা আবারও ফুটে উঠেছে।