https://www.emjanews.com/

20198

sylhet

প্রকাশিত

০১ নভেম্বর ২০২৬ ১০:৪৫

আপডেট

০১ নভেম্বর ২০২৬ ১০:৫৯

সিলেট

দিরাইয়ে ফল বিপর্যয়: আবদুল মতলিব কলেজের কেউ পাশ করেনি

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ১০:৪৫

ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ১ হাজার ৮৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৮৯০ জন। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। মাত্র ১০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। উপজেলার একাধিক কলেজে পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে। এমনকি একটি প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। তবে সামগ্রিক ফলাফলের মধ্যে তুলনামূলক ভালো করেছে হাওরপাড়ের জগদল কলেজ ও বিবিয়ানা মডেল কলেজ।

জগদল কলেজের ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৪২ জন, পাশের হার ৬৪.৬২শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হাওর পাড়ের কুলঞ্জ ইউনিয়নের বিবিয়ানা মডেল কলেজ। ৪ শ ৬৪ জনের মধ্যে ৪ টি জিপিএ -৫ সহ পাশ করেছে ২শ ৮৬জন, পাশের হার ৬১.৬৪। দিরাই সরকারি ডিগ্রি কলেজ ৯শ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ টি জিপিএ -৫ সহ পাস করেছে ৪শ৬৪ জন, পাসের হার ৪৮. ৮৯ শতাংশ।

আলহাজ্ব আবদুল মতলিব স্কুল এন্ড কলেজের ১৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউ ই পাশ করতে পারেনি। পাশের হার শুন্য।, হাতিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জন, পাসের হার ১৭. ৬৫ শতাংশ।রজনীগঞ্জ স্কুল কলেজ ৬০ জনের মধ্যে ৫ জন, পাসের হার ৮. ৩৩, চরনারচর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাসের হার ১৫. ৩৮ শতাংশ।

দিরাই উপজেলার টঙ্গর এলাকার আলহাজ আব্দুল মুত্তালিব হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি ফলাফলও হতাশাজনক। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে মানবিক বিভাগে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠানটির ১৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তবে চূড়ান্ত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ জন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ১৪ জনের কেউই পাস করতে পারেননি।

স্থানীয় সাংবাদিক উমেদ আলী জানান, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ ও অধ্যক্ষের যোগ্যতা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, পরীক্ষার প্রশ্নই তিনি বুঝতে পারেননি।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক এবং দুজন অতিথি শিক্ষক একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতেন। তবে শিক্ষক সংকটের কারণেই ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ নেই-এমন অভিযোগ সত্য নয় বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী বছর ভালো ফলাফল করার জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা করা হবে বলে জানান প্রধান শিক্ষক।