শিরোনাম
এবার আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা মৃত্যুর রাতে বান্ধবীর সঙ্গে দেড় ঘণ্টা বারে ছিলেন তাহসিফ আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫০, ২৬ কারখানায় ছুটি সিলেটে বাসার দরজা-জানালায় শব্দ: ১৬ ঘণ্টায় ৬টি ভূমিকম্প ল্যাপটপ চুরির মামলায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র সিলেটে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের কারণে ফল খারাপ হয়েছে: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পাসের হারে এগিয়ে সিলেট, পিছিয়ে মৌলভীবাজার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ফলাফল সুনামগঞ্জের শাল্লায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষীর বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট

https://www.emjanews.com/

20186

international

প্রকাশিত

৩১ অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৩

আন্তর্জাতিক

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৩

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতায় আবারও বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বঙ্গসেনা। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, স্বাধীন সনাতনী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে শনিবার (৩১ অক্টোবর) আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে কলকাতা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও দুই স্তরের ব্যারিকেডের কারণে বিক্ষোভকারীরা উপহাইকমিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।

শনিবার শিয়ালদহ স্টেশন এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে সংগঠনটির বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। অনেককে গেরুয়া পোশাকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে পার্ক সার্কাসে অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়।

উপহাইকমিশনের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই কলকাতা পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়। মিশনের মূল ফটক থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে বিক্ষোভকারীদের থামিয়ে দেওয়া হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন সংগঠনের সদস্যরা।

সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বাংলাদেশ উপহাইকমিশন চত্বর ও আশপাশের এলাকায় আগে থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

বঙ্গসেনার নেতা সুভাষ মজুমদার বলেন, ‘আমরা ওই দেশে থাকতে পারছি না। নির্যাতন, গণহত্যা করে আমাদের ওই দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের ওপর প্রতিদিন অত্যাচার চলছে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠানো জরুরি। সেই কারণেই আমাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।’

উল্লেখ্য, চলতি অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল। এর আগে ৩ অক্টোবর ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে একই ধরনের দাবিতে মিছিল হয়েছিল।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের বিভিন্ন সংগঠনের উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে ঘিরে একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখা কলকাতা পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।