শিরোনাম
নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মাউন্ট এডোরার মাতৃসেবা ইউনিটে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে নতুন নীতিমালা হচ্ছে: হবিগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী হাজ্জাজ সিলেটে ভাতিজাকে ‘পাগল’ বলায় চাচাকে খু/ন আজ থেকে টানা ৪ দিন সিলেটে কম থাকবে গ্যাসের চাপ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে জেল হত্যা দিবসের প্রদর্শনী স্থগিত সিলেটে মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ননীছড়া দখল-দূষণমুক্ত করার দাবি সুবিপ্রবির শিক্ষার্থীরাই একদিন দেশের নেতৃত্ব দেবে: উপাচার্য বিমানের দাম্মাম রুটে ফ্লাইট শুরু ৭ নভেম্বর সিলেটে গোপনে তৈরি হচ্ছিল নিষিদ্ধ ‘যৌন উদ্দীপক’ পণ্য, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড সিলেটসহ সারাদেশে গ্যাস বন্ধের বিষয়ে পেট্রোবাংলা বলছে গুজব

https://www.emjanews.com/

20308

sylhet

প্রকাশিত

০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৫:৫৩

সিলেট

শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে নতুন নীতিমালা হচ্ছে: হবিগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী হাজ্জাজ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৫:৫৩

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নতুন মনিটরিং নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার। চলতি মাসেই নীতিমালাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আশা প্রকাশ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এস এম ফয়সল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নতুন মনিটরিং নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। চলতি মাসেই নীতিমালাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কার ও আধুনিক ভবন নির্মাণ এবং শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, হবিগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থান দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন, এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে এ জেলার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এস এম ফয়সল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টির কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করে তিনি মানসম্মত পাঠদান লক্ষ্য করেছেন বলেও জানান।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশব্যাপী এ কর্মসূচি চালু করেছে। আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব বিদ্যালয়ে এটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি মাধবপুর উপজেলায় ১৫০টির বেশি বিদ্যালয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরকারি কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। এসব সমস্যা সমাধানে মডেল স্কুল প্রকল্প, পিডিবি-৫ ও জিপিএস প্রকল্পসহ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রকল্প শিগগিরই চালু হবে এবং পিডিবি-৫ প্রকল্পটি ডিসেম্বরের মধ্যে চালুর আশা রয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ও শেখার উপযোগিতা বিবেচনায় আরও উন্নত ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দায়িত্ব জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে দেওয়া হয়েছে। এতে এক ও দুই পালার বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়ের বৈষম্য দূর করা, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা ও শিখনসামগ্রী সহজবোধ্য করা এবং নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির প্রধান এমা লেফু, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাফিউর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী জগদীশপুর চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।