শিরোনাম
এক মিনিটেই শেষ ট্রেনের টিকিট, নতুন এজেন্সি নিয়োগের উদ্যোগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন সব ধর্মের মানুষের সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরী রাজশাহীতে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ডিবির অভিযান, মদ-ইয়াবা উদ্ধার, নারীসহ আটক ৮৪ ইউপি নির্বাচন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ সিলেটে এক সিএনজি চালকের ছু/রিকাঘা/তে আরেক চালক খু/ন সিলেটে স্কুল ছাত্রীর মায়ের মাম/লায় গ্রে/প্তার ‘প্রেমিক’ সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ৩০ জন পুতিন-ট্রাম্প-শি’র ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

https://www.emjanews.com/

8111

sylhet

প্রকাশিত

০৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪৭

আপডেট

০৫ আগস্ট ২০২৫ ১৭:০৯

সিলেট

রাজনগরে শ্বাসরোধে হ ত্যার চার মাস পর গ্রেপ্তার খু নি

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪৭

ছবি: সংগৃহিত।

মৌলভীবাজারের রাজনগরে চার মাস আগে শাহানা বেগম (৫১) নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিযুক্ত মো. খলিল মিয়া (৩৫)। দীর্ঘ সময় এই হত্যাকাণ্ডটি অপমৃত্যু হিসেবে বিবেচিত হলেও ময়নাতদন্তে হত্যার আলামত উঠে আসার পর তদন্তের গতিপথ পাল্টে যায়।

পুলিশ জানায়, গত ৩১ মার্চ রাজনগর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে নিজ ঘর থেকে শাহানা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আত্মীয়স্বজন প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মনে করায় ১ এপ্রিল রাজনগর থানা একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের  করেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধের সুস্পষ্ট প্রমাণ মিললে বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখতে শুরু করে পুলিশ।

পরবর্তীতে নিহতের মেয়ে বিউটি বেগম বাদী হয়ে গত ৪ আগস্ট রাজনগর থানায় একটি হত্যা মামলা  দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পান এসআই (নিঃ) অরূপ সরকার। প্রযুক্তির সহায়তায় ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন হিসেবে ইসলামপুর গ্রামের মো. খলিল মিয়াকে শনাক্ত করা হয়। তিনি স্থানীয়ভাবে 'ফেছাদ' নামে পরিচিত।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খলিল মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, শাহানা বেগম এলাকায় সুদের ভিত্তিতে টাকা লেনদেন করতেন এবং তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন রাতে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তিনি শাহানাকে খাটে ফেলে গলায় চাপ দিয়ে হত্যা করেন।

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামি খলিল মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

এদিকে সিলেট রেঞ্জ পুলিশ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের বিবরণ ও গ্রেপ্তারকৃত খলিল মিয়ার ছবি প্রকাশ করেছে।