শিরোনাম
সৌদিতে পৌঁছেছেন ২৫ হাজারের বেশি হজযাত্রী, ২ জনের মৃত্যু সরকারি সফরে সিলেটে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির কুয়ালালামপুরে মদ্যপ চালকের গাড়িচাপায় সিলেটের মুজাহিদ নিহত দক্ষিণ সুরমায় স্কুল থেকে ফেরার পথে বাবার মৃ/ত্যু: বাকরুদ্ধ ছেলে সিলেটে ৫ বছরের সা/জার মা/ম/লায় ৫ বছর পলাতক সিলেটে পেট্রোল পাম্পের পাশে রাতের আঁধারে কী হচ্ছিল, সীমা ও কাওছার ধরা যুক্তরাজ্যের থারক কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী সিলেটের সঞ্জিত দাস সিলেটে এখন আগের দ্বিগুণ বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেলও! সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার শঙ্কা, পাকা ধান দ্রুত কাটার আহ্বান পাউবোর সাংবাদিকতায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা: নতুনদের খাতা, পুরোনোদের ছাড়?

https://www.emjanews.com/

8996

sylhet

প্রকাশিত

২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৩০

আপডেট

২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৪৭

সিলেট

হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর ওরস সমাপ্ত: শিরনী ছাড়া খালি হাতে ফিরলেন ভক্তরা

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৩০

ছবি: সংগৃহীত।

ওরস থেকে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন ভক্ত ও আশেকানরা। হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর ৭ শতাব্দী প্রাচীন রেওয়াজ শিরনী দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়নি তাদের। এ শিরনীকে তাবারুক হিসাবে ভক্ত ও আশেকানদের মাঝে বিশেষ কদর রয়েছে। 
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) শুরু হওয়া ওরস আজ শুক্রবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

গত বছর ওরসে মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলার কারণে এবার পুলিশ প্রশাসন বেশ কিছু বিধিনিষেধ পালনের শর্তে বার্ষিক ওরস করার অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ভক্তদের গান-বাজনা বন্ধ রাখা এবং মাজার মতাওয়াল্লীদের পক্ষ থেকে শিরনী বিতরণ না করা।

এবার ওরসে আসা আশেকানরা জানিয়েছেন, গত বছর মব সন্ত্রাসের কারণে এ ওলির মাজারে অনেক কম লোক এসেছেন। এটা সুফিবাদি রেওয়াজের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এতে ইসলাম ও সুফিবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতি বছর খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ এবং শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনী বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরস সমাপ্তি ঘটে। তবে এবার পুলিশের নির্দেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কারণে শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ জানান, ‘প্রশাসনের সভায় আমাদের জানানো হয় শিরনী বিতরণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশ, র‍্যাব, এনএসআই, ডিজিএফআই, স্থানীয় সেনা ও অন্যান্য সংস্থা এলাকা মনিটরিং করছে। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তদারকি কমিটি পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছে।

নাগরিক সমাজ ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো প্রশাসনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করছেন। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘শিরনী বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে ঐতিহ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো সম্ভব।’

সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘কোনও ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে, সেটা না করাই ভালো।’