শিরোনাম
‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী ফেসবুক পোস্টে জানালেন দুপুরে পদত্যাগ করবেন ইশরাক ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জে সিলেট অভিমুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন সোমবার সিলেটে ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী, যাবেন পূজামণ্ডপে চেলা নদীতে বালু লুট: মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে, নির্দোষদের আসামি করার অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে মামলা, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন সিলেটে যে কারণে স্বপন ও আকাশকে ধরল পুলিশ

https://www.emjanews.com/

8996

sylhet

প্রকাশিত

২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৩০

আপডেট

২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৪৭

সিলেট

হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর ওরস সমাপ্ত: শিরনী ছাড়া খালি হাতে ফিরলেন ভক্তরা

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৩০

ছবি: সংগৃহীত।

ওরস থেকে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন ভক্ত ও আশেকানরা। হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর ৭ শতাব্দী প্রাচীন রেওয়াজ শিরনী দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়নি তাদের। এ শিরনীকে তাবারুক হিসাবে ভক্ত ও আশেকানদের মাঝে বিশেষ কদর রয়েছে। 
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) শুরু হওয়া ওরস আজ শুক্রবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

গত বছর ওরসে মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলার কারণে এবার পুলিশ প্রশাসন বেশ কিছু বিধিনিষেধ পালনের শর্তে বার্ষিক ওরস করার অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ভক্তদের গান-বাজনা বন্ধ রাখা এবং মাজার মতাওয়াল্লীদের পক্ষ থেকে শিরনী বিতরণ না করা।

এবার ওরসে আসা আশেকানরা জানিয়েছেন, গত বছর মব সন্ত্রাসের কারণে এ ওলির মাজারে অনেক কম লোক এসেছেন। এটা সুফিবাদি রেওয়াজের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এতে ইসলাম ও সুফিবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতি বছর খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ এবং শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনী বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরস সমাপ্তি ঘটে। তবে এবার পুলিশের নির্দেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কারণে শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ জানান, ‘প্রশাসনের সভায় আমাদের জানানো হয় শিরনী বিতরণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশ, র‍্যাব, এনএসআই, ডিজিএফআই, স্থানীয় সেনা ও অন্যান্য সংস্থা এলাকা মনিটরিং করছে। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তদারকি কমিটি পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছে।

নাগরিক সমাজ ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো প্রশাসনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করছেন। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘শিরনী বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে ঐতিহ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো সম্ভব।’

সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘কোনও ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে, সেটা না করাই ভালো।’