শিরোনাম
‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী ফেসবুক পোস্টে জানালেন দুপুরে পদত্যাগ করবেন ইশরাক ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জে সিলেট অভিমুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন সোমবার সিলেটে ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী, যাবেন পূজামণ্ডপে চেলা নদীতে বালু লুট: মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে, নির্দোষদের আসামি করার অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে মামলা, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন সিলেটে যে কারণে স্বপন ও আকাশকে ধরল পুলিশ

https://www.emjanews.com/

9225

surplus

প্রকাশিত

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:৫৫

আপডেট

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:১৮

অন্যান্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের চার দিন পর সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সংঘর্ষের চার দিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু হয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার ছয়টি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। চলমান একমাত্র পরীক্ষা হচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের তৃতীয় বর্ষের মৌখিক পরীক্ষা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আজ সাতটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল-নাট্যকলা, ইতিহাস, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স, হিসাববিজ্ঞান, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মাইক্রোবায়োলজি ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স। তবে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স ছাড়া সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৪৮টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউটে প্রায় ২৭,৫৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেন। সংঘর্ষের কারণে গত রোববার থেকে সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, রোববার থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলার আশা রয়েছে।

সীমিত ক্লাস শুরুর সময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ছিল। সরেজমিনে দেখা যায়, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, শহীদ মিনার, গোল চত্বর ও ২ নম্বর গেটে স্বাভাবিক কোলাহল নেই। শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বাস ও শিক্ষার্থীদের শাটল ট্রেন নিয়মিত চলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কোরবান আলী জানান, তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন এবং আজও একটি বৈঠক রয়েছে।

এর আগে গত শনিবার রাত ১২:৩০ থেকে রবিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত জোবরা গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ২২০ জন আহত হন, যার মধ্যে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী। তিন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, একজন এখনও লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার মামলা করেছে এবং পুলিশ আটজন স্থানীয় বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে।