শিরোনাম
সিলেটে পেট্রোল পাম্পের পাশে রাতের আঁধারে কী হচ্ছিল, সীমা ও কাওছার ধরা সিলেট সীমান্তে জব্দ অর্ধকোটি টাকার চো/রাই পণ্য যুক্তরাজ্যের থারক কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী সিলেটের সঞ্জিত দাস সিলেটে এখন আগের দ্বিগুণ বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেলও! সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার শঙ্কা, পাকা ধান দ্রুত কাটার আহ্বান পাউবোর সাংবাদিকতায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা: নতুনদের খাতা, পুরোনোদের ছাড়? সিলেটে নতুন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ পুলিশে রদবদল: সিলেট মহানগর পুলিশে একাধিক এসপি বদলি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে একযোগে কাজ করতে চায় নেপাল সিসিকে নিয়োগের নামে প্রতারণা: সতর্ক থাকার আহ্বান প্রশাসকের

https://www.emjanews.com/

9225

surplus

প্রকাশিত

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:৫৫

আপডেট

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:১৮

অন্যান্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের চার দিন পর সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সংঘর্ষের চার দিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু হয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার ছয়টি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। চলমান একমাত্র পরীক্ষা হচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের তৃতীয় বর্ষের মৌখিক পরীক্ষা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আজ সাতটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল-নাট্যকলা, ইতিহাস, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স, হিসাববিজ্ঞান, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মাইক্রোবায়োলজি ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স। তবে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স ছাড়া সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৪৮টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউটে প্রায় ২৭,৫৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেন। সংঘর্ষের কারণে গত রোববার থেকে সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, রোববার থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলার আশা রয়েছে।

সীমিত ক্লাস শুরুর সময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ছিল। সরেজমিনে দেখা যায়, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, শহীদ মিনার, গোল চত্বর ও ২ নম্বর গেটে স্বাভাবিক কোলাহল নেই। শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বাস ও শিক্ষার্থীদের শাটল ট্রেন নিয়মিত চলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কোরবান আলী জানান, তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন এবং আজও একটি বৈঠক রয়েছে।

এর আগে গত শনিবার রাত ১২:৩০ থেকে রবিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত জোবরা গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ২২০ জন আহত হন, যার মধ্যে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী। তিন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, একজন এখনও লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার মামলা করেছে এবং পুলিশ আটজন স্থানীয় বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে।