শিরোনাম
নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্যান্য সব নির্বাচন স্থগিত পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিবেন সিলেটের কারাবন্দিরা সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল স্থগিত ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পক্ষে গণজোয়ার, ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান হিমাগার নেই, কৃষকের স্বপ্ন পচে যায় মাঠেই, সবজি বিক্রি হয় পানির দরে পোস্টাল ভোটে প্রতীক বিভ্রান্তি: ব্যালট নিয়ে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের আপত্তি সিলেট থেকে উড়ে শিলচরে: বেলুন-কাণ্ডে চাঞ্চল্য বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মেলেনি, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে যুক্তরাজ্যের সড়কে প্রাণ গেল সিলেটি বংশোদ্ভূত চারজনের

https://www.emjanews.com/

11989

national

প্রকাশিত

০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:১৬

জাতীয়

৬ ডিসেম্বর: স্বৈরাচার পতন দিবস

প্রকাশ: ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:১৬

ছবি: সংগৃহিত

৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন- স্বৈরাচার পতন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করে রাষ্ট্রক্ষমতা অস্থায়ী সরকারের কাছে হস্তান্তর করেন। এর মধ্য দিয়েই অবসান ঘটে তার দীর্ঘ ৯ বছরের সামরিক শাসনের, আর দেশ ফিরে আসে গণতান্ত্রিক ধারায়।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদ সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তার শাসনামলের বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫-দল, বিএনপির নেতৃত্বে সাত-দল এবং জাসদ-ওয়ার্কার্স পার্টির অধীনে পাঁচটি বামদল যৌথভাবে আন্দোলনে যুক্ত হয়। তিন জোটের বাইরে থেকেও জামায়াতে ইসলামী স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

গণতান্ত্রিক অধিকার, কার্যকর সংসদ, আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তার দাবিতে আন্দোলন তীব্র হতে থাকে। সেই সংগ্রামে ডা. শামসুল আলম খান মিলন, নূর হোসেনসহ বহু মানুষ আত্মত্যাগ করেন

১৯৯০ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দেশজুড়ে আন্দোলন চরমে পৌঁছালে ৬ ডিসেম্বর জনতার চাপের মুখে এরশাদ বাধ্য হন পদত্যাগ করতে। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে দিনটি পালন করা হয়।

৯০-এর গণঅভ্যুত্থান দেশে গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল- যার স্মারক আজকের এই ৬ ডিসেম্বর।