https://www.emjanews.com/

12447

jobs

প্রকাশিত

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৩৬

চাকুরী

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৩৬

ছবি: সংগৃহিত।

দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিদ্যমান জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বর্তমান গ্রেড-১১ (স্কেল: ১২,৫০০–৩০,২৩০ টাকা) থেকে উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে (স্কেল: ১৬,০০০–৩৮,৬৪০ টাকা) নির্ধারণ করা হলো। একই সঙ্গে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ সম্মতি দেয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটিও বিষয়টি অনুমোদন করে। সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ১৫ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপনটিতে সই করে, যা আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত ২৮ অক্টোবর রিট আবেদনকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। একই সঙ্গে দেশের সব প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন কার্যকর হলো।

এদিকে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে রয়েছেন (শুরুর মূল বেতন ১১ হাজার টাকা)। তারা বেতন গ্রেড ১১তম করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়ে আসছেন।

এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান হলো, সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম করার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বেতন কমিশনের বিবেচনাধীন রয়েছে। কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পর অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

সারা দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে এক কোটির বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এবং শিক্ষক রয়েছেন পৌনে চার লাখের বেশি। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১৬টি, এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩ লাখ ৫২ হাজার ২০৮ জন।