ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জোহরা ঘানবারিসহ পাঁচ খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পর তাদের দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়ায় একটি টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া ওই খেলোয়াড়দের ‘জিম্মি’ করা হয়েছে।
তিনি লেখেন, “তারা মিনাব শহরে টমাহক মিসাইল হামলায় ১৬৫ জনেরও বেশি নিরীহ ইরানি স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছে, আর এখন ‘বাঁচানোর’ নামে আমাদের অ্যাথলেটদের জিম্মি করতে চায়। এই ধৃষ্টতা ও ভণ্ডামি স্তম্ভিত করার মতো।’
নারী ফুটবল দলের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘দুশ্চিন্তা করবেন না-ইরান আপনাদের জন্য উন্মুক্ত বাহু নিয়ে অপেক্ষা করছে। বাড়ি ফিরে আসুন।’
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোয় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দলটিকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ওই দলের পাঁচ সদস্যকে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়। তারা অন্ধকারের সুযোগে হোটেল থেকে বের হয়ে অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের কাছে নিরাপত্তা চান। পরে তাদের একটি নিরাপদ আশ্রয়ে (সেফ হাউস) নেওয়া হয়।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খেলোয়াড়রা একটি টেবিলের চারপাশে বসে আছেন এবং অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক তাদের দেশটিতে থাকার অনুমতি দিয়ে নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন।
এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের এই নারী খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
