শিরোনাম
সিলেটে অবৈধ যানের শোরুম বন্ধে কঠোর এসএমপি সিলেটে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ভোজ্যতেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সাথে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জামিনে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৭ এপ্রিল শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে চোরাচালান ও বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর মালয়েশিয়াসহ সব দেশের শ্রমবাজার নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী সিলেট সীমান্তে বড় ধরনের অভিযানে বিজিবি: জব্দ প্রায় কোটি টাকার পণ্য সিলেটের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন একডজন প্রার্থী বেইলি রোডে সপরিবারে নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

https://www.emjanews.com/

14795

surplus

প্রকাশিত

০৬ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৫৫

অন্যান্য

অটোপাশের দাবিতে উপাচার্যের গাড়িতে হামলার অভিযোগ

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। অটোপাশের দাবিতে আন্দোলনরত ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় জড়িত বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে গাজীপুর ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উপাচার্যের গাড়ি ঘিরে ফেলা হয় এবং তাকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অটোপাশের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের গাড়ির ওপর চড়াও হয়ে তাকে নাজেহাল করে। এতে উপাচার্যের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি নিজেও হয়রানির শিকার হন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ মে একই দাবিতে আন্দোলনরত ২০২২ সালের স্নাতক (পাস) পরীক্ষার্থীদের হামলায়ও আহত হয়েছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক আমানুল্লাহ। সোমবারের ঘটনাটি তার ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ঘটনার পর উপাচার্য বলেন, অন্যায্য দাবি ও অনৈতিক আবদারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোভাবেই সহানুভূতি দেখাতে পারে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অটোপাশ সমর্থন করে না। একবার অটোপাশ দেওয়া হলে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার গুণগতমান বজায় রাখতে অটোপাশ ও গ্রেস নম্বর দেওয়ার প্রবণতা নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেবে।

অন্যদিকে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আল শাহরিয়ার নামে এক শিক্ষার্থী জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন, কিন্তু প্রশাসন তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছে না। উপাচার্য ক্যাম্পাস ছাড়ার সময় শিক্ষার্থীরা কেবল তার গাড়ি ঘিরে দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন, কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।