শিরোনাম
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজির দৌরাত্ম্য, বাড়ছে দুর্ঘ.টনার ঝুঁকি সিলেটসহ দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে পল্লব, কারা/গারে প্রেরণ সিলেটে মৃ/ত্যুহীন দিনে হাম উপসর্গে ভর্তি ১৩৮ জন প্রবাসীদের বিমান ভাড়া নিয়ে সুখবর, কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত সিলেটে টাকা ফেরত চাওয়ায় ভাইয়ের হাতে বোন খু/ন সিলেটে যে সময়ে ঘটবে ভয়াবহ লোডশেডিং সিলেটে ২৯ জন গ্রেফ/তার: প্রায় ২শ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আনন্দভ্রমণে মৃত্যু: টাঙ্গুয়ার হাওরে ৪ মাসে ৫ প্রাণহানি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

https://www.emjanews.com/

15069

art-literature

প্রকাশিত

১৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৬

শিল্প সাহিত্য

পাগল হাসানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী: স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৬

ছবি: মতিউর রহমান হাসান ওরফে পাগল হাসান।

সুনামগঞ্জের তরুণ সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার মতিউর রহমান হাসান ওরফে পাগল হাসানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার (১৮ এপ্রিল)। ২০২৪ সালের এই দিনে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুরমা সেতু এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সন্ধ্যায় স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে একাডেমি চত্বরে নির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চের নামকরণ করা হয়েছে ‘পাগল হাসান কুঞ্জ’।

সংস্কৃতিকর্মী দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন, ‘পাগল হাসান বেশি মিশতেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। এই মানুষেরাই তাঁর গানকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তিনি মানুষের অন্তরে আছেন এবং থাকবেন।’

জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী জানান, স্মরণানুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। এছাড়া সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘স্পন্দন’-এর বর্ষবরণ আয়োজন ‘বৈশাখী স্পন্দন’ও তাঁকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

মাত্র ৩৩ বছরের জীবনে পাগল হাসান প্রায় এক হাজারের মতো গান রচনা করেন এবং নিজেই সুরারোপ করে গেয়েছেন। তাঁর গানে ছিল মরমি ভাব, প্রেম, বেদনা ও আধ্যাত্মিকতার গভীর ছাপ। জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘আসমানে যাইওনারে বন্ধু ধরতে পারব না’, ‘জীবন খাতায় প্রেমকলঙ্কের দাগ দাগাইয়া’, ‘দুই দিনের সংসারী আর মিছা দুনিয়াদারি’সহ অসংখ্য গান।

শৈশবে বাবাকে হারিয়ে দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে বড় হওয়া পাগল হাসান প্রথমে একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলে চাকরি করলেও পরবর্তীতে সংগীতকেই জীবনের মূল পথ হিসেবে বেছে নেন। পরে তিনি ‘পাগল এক্সপ্রেস’ নামে একটি সংগীত দলও গঠন করেন।

বন্ধু ও সহকর্মীদের ভাষ্য, গান করে যা আয় করতেন তার বড় অংশই তিনি অন্যদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বন্ধু, ভক্ত ও সংস্কৃতিকর্মীরা নিয়মিত তাঁকে স্মরণ করে বিভিন্ন আয়োজন করছেন। স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা মনে করেন, তাঁর গান ও দর্শন আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।