শিরোনাম
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজির দৌরাত্ম্য, বাড়ছে দুর্ঘ.টনার ঝুঁকি সিলেটসহ দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে পল্লব, কারা/গারে প্রেরণ সিলেটে মৃ/ত্যুহীন দিনে হাম উপসর্গে ভর্তি ১৩৮ জন প্রবাসীদের বিমান ভাড়া নিয়ে সুখবর, কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত সিলেটে টাকা ফেরত চাওয়ায় ভাইয়ের হাতে বোন খু/ন সিলেটে যে সময়ে ঘটবে ভয়াবহ লোডশেডিং সিলেটে ২৯ জন গ্রেফ/তার: প্রায় ২শ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আনন্দভ্রমণে মৃত্যু: টাঙ্গুয়ার হাওরে ৪ মাসে ৫ প্রাণহানি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

https://www.emjanews.com/

18236

sylhet

প্রকাশিত

৩১ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৬

আপডেট

৩১ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫৩

সিলেট

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজির দৌরাত্ম্য, বাড়ছে দুর্ঘ.টনার ঝুঁকি

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৬

ছবি: ইমজা নিউজ

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেট অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের থ্রি-হুইলার ও অযান্ত্রিক যানবাহন। এতে একদিকে যেমন মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই মহাসড়কে চলছে নিষিদ্ধ এসব যান। যদিও বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশের দাবি, নিষিদ্ধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেট অংশ যেন রীতিমতো মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের প্রায় ১৩০ কিলোমিটার অংশে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। গত ১৫ দিনে এই অংশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।

গত সাত মাসে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেট অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত ২২ আগস্ট দুপুরে মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় তেলবাহী ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-বাবা ও মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন নিহত হন। এর আগে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে মহাসড়কে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। গত ৭ আগস্ট ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন ১০ জন।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৯ জন নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ২৪ জনের প্রাণ গেছে সড়ক দুর্ঘটনায়। তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ২৯ জন আহত হন। ফেব্রুয়ারিতে ১৭টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৮ জন, আহত ৪৩ জন। মার্চে ২১টি দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ৩১ জন আহত হন। এপ্রিলে ১৪টি পৃথক দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হন। মে মাসে ৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হন। জুনে ২১টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হন। সবশেষ জুলাই মাসের প্রাপ্ত তথ্যে ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।

মহাসড়কজুড়ে সিএনজির দাপট
ব্যস্ত মহাসড়কে অহরহ চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। যত্রতত্র ব্রেক করা, যাত্রী ওঠানামা, সিগন্যাল না মানা ও অবৈধভাবে পার্কিংয়ের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। কোথাও কোথাও সড়কের পাশে অবৈধ স্ট্যান্ডের পাশাপাশি মহাসড়কের আইল্যান্ডেও সারি করে রাখা হচ্ছে সিএনজি।
আইন অমান্য করে এসব থ্রি-হুইলার কীভাবে মহাসড়কে চলাচল করছে এবং এগুলো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না; এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চণ্ডীপুল পয়েন্টের আইল্যান্ডে কেন গাড়ি স্ট্যান্ড করে রাখা হয়েছে; এমন প্রশ্নের জবাবে সিএনজি চালকরা বলেন, ‘স্ট্যান্ডের মূল জায়গা সাইডে, সেখানে জায়গা শর্ট তাই এখানে দাঁড় করিয়েছেন গাড়ি।’

একই অভিযোগ একাধিক চালকের। তাদের বক্তব্য, ‘স্ট্যান্ডে জায়গা কম তবে কেয়ারফুল আছি।’

মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ, তবুও কেন চলাচল করছে; এমন প্রশ্নের জবাবে এক চালক বলেন, ‘যতটুকু নিষিদ্ধ ওই জায়গায় আমরা যাচ্ছি না। আর সড়ক দুর্ঘটনায় পিছনের কারণ সম্পর্কে বলার কিছু নাই।’

যত্রতত্র ব্রেক, যাত্রী ওঠানামা ও সিগন্যাল না মানার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সালমান নামের এক চালক বলেন, ‘আমরা সিগনাল মানি না এটা আমরা মেনে নেব না। কারণ আমরা সিগন্যাল কেন মানব না? আমাদের গাড়িতে তো সিগনাল আছে।’

সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকাতে গাড়ি রাখার জন্য পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে এক চালক বলেন, ‘সরকার গাড়ি তওয়ার (রাখার) একটা জায়গা দিবেন। আর দুর্ঘটনা এড়াতে চেয়ে-চিন্তে ওভারটেক করার পরামর্শ দেন তিনি।’

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কে?
ঘনঘন দুর্ঘটনার জন্য সড়কের নির্মাণকাজে ধীরগতি, যত্রতত্র স্ট্যান্ড ও পার্কিং, যাত্রী ওঠানামা এবং বাস-ট্রাকের বেপরোয়া গতিকে দায়ী করছেন চালক ও পথচারীরা। তাদের ভাষ্য, মহাসড়কে বড় গাড়ির পাশাপাশি ছোট গাড়ি চলাচল করায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে। ছোট গাড়ি চলাচলের জন্য সরকারকে একটি ব্যবস্থা করতে হবে। ছোট গাড়ির কারণে বড় গাড়ি অনেক সময় আউটলাইন হয়।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কীভাবে অযান্ত্রিক যানবাহন চলছে-এমন প্রশ্নের জবাবে এক পিকআপচালক বলেন, ‘চলে ইতা তো সামথিং, ইতা তো আর বুঝইন নানি যে প্রশাসনের দুর্বলতা। কী বা ওলা ওলা থাকত পারে একটা। একটু সাথমিং পয়সা দিয়া ওউক, মানি একটু চলে। আইনের প্রতি আমরা অটল হইলে এইটা চলত না। বড় রাস্তা ওইগেলে সুন্দর ওইজিব সবতা।’

এক মোটরসাইকেল চালকের ভাষ্য, ‘দুর্ঘটনার মূল কারণ রাস্তার সংস্কার কাজ। সিএনজি চলাচলও দায়ী আছে।’

চণ্ডীপুলে দায়িত্ব পালনকারী এক ট্রাফিক পুলিশের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সিএনজি মহাসড়কে বেপরোয়া চলছে, আবার আইল্যান্ডেও অবৈধ পার্কিং করা হচ্ছে; এটা কেন? তিনি বলেন, ‘কিছু বলার নাই আমার। আমার ইউনিটের সিনিয়র অফিসার আছেন, আপনারা উনাদের সাথে আলাপ করেন। এটা আমি কিছু বলতে পারব না, ওইখানে অফিসার আছে, আপনি কথা বলেন।’

আরেক ট্রাফিক পুলিশের দাবি, ‘নিয়মিত অভিযান চলে। প্রতিদিনই অভিযান চলছে। প্রতিদিন ধরা হচ্ছে তো। অবৈধ গাড়ি যেগুলো আছে না, অটোরিকশা-সিএনজি-মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান চলতেছে।’

‘প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে’
পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের তীর প্রশাসনের দিকে। সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মইনুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কে অর্থাৎ হাইওয়ে রোডে নসিমন-করিমন-সিএনজি-ইজিবাইক-ব্যাটারি চালিত গাড়িগুলো চলাচল নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও চলতেছে, আমরা মনে করি প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে। তা না হলে প্রশাসনের তো দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক রয়েছে- রাডে রয়েছে, প্রতিটি সিগন্যালে রয়েছে, আটকাতে পারত। কিছুদিন পূর্বে বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের বাস-ট্রাক গাড়িগুলোকে রাস্তায় আটকে জরিমানা করতে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ রোহিঙ্গা সিএনজিগুলোর বিপক্ষে সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন এবং আমরাও। অথচ আইন অমান্য করে তারাই হাইওয়ে রোডে চলাচল করে। পুলিশকে ম্যানেজ করে চলছে, এটা আমাদের দাবি।’

গ্যাস পাম্প ও বাই লেনের যুক্তি
সিএনজিচালিত শ্রমিক ইউনিয়ন নেতারা বলছেন, মহাসড়কের লাগোয়া গ্যাস পাম্প থাকায় সিএনজিকে মহাসড়ক ব্যবহার করতে হয়। পাশাপাশি বাই লেন না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে।
সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা-অটো টেম্পু চালক শ্রমিক জোটের সভাপতি মো. মতছির আলী বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা আন্দোলন করেছি। নাম্বারযুক্ত গাড়ি চলাচলের রাস্তা নাই। হাইওয়ে রোড ব্যবহার করা লাগে বাধ্যতামূলক কারণ যেহেতু হাইওয়ে ছাড়া কোন সিএনজি গ্যাস পাম্প নাই। গণপরিবহন এখন সিএনজিতে রূপান্তরিত হয়েছে। অলিতে-গলিতে রোগী নিয়ে, এম্বুলেন্সের মত সার্ভিস দিচ্ছে সিএনজি। সরকারের প্রতি জোর দাবি হল, হাইওয়েতে গ্যাস নেওয়ার সুযোগ সিএনজিকে করে দিতে হবে। প্রশাসন সবসময় আমাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছে, কিন্তু সরকার যদি আমাদের হার্ড লাইনে নিয়ে যায় তাহলে এদেশের শ্রমিক বাধ্যতামূলক অন্য কাজে লিপ্ত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেট্রোপলিটন এলাকা নাজিরবাজার পর্যন্ত। আমাদের জোর দাবি সরকারের প্রতি, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। দ্রুত সংস্কার করতে হবে। একই সাথে টমটম গাড়িগুলোকে সরিয়ে নিতে হবে।’

সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা আসার পর আমাদের দাবি ছিল হাইওয়ে রোডের পাশ দিয়ে পার্শ্ব সড়ক করে দিতে হবে। আমরা হাইওয়েতে গাড়ি চালাব না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পার্শ্ব সড়ক আছে, এগুলো করা হচ্ছে না- এর দায় সরকারের। পরিবহনের যাত্রীদের জন্য ও শ্রমিকদের স্বার্থে বাই লাইন করার একান্ত প্রয়োজন।’

বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশের বক্তব্য
এ বিষয়ে বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী আবদুর রশিদ বলেন, ২০১৫ সালে জাতীয় মহাসড়কে অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে বিআরটিএ, পুলিশ ও জেলা প্রশাসন মিলে অযান্ত্রিক যান চলাচল রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। বিভিন্ন সময়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এটা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আর সড়কে দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সমন্বিত উদ্যোগ আছে, আরেকটু জোরদার করা দরকার। সর্বোপরি মানুষকে সচেতন হতে হবে। একটা সিএনজিতে ৩জন যাত্রী নেওয়া যায়, সেখানে ৪/৫ জন নিচ্ছে। ড্রাইভারের পাশে কাউকে নেওয়া নিষেধ, সেখানে প্যাসেঞ্জার বসলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। তখনই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।’

হাইওয়ে পুলিশের সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের একেকটা থানার এরিয়া হল ৪৭/৫০/৬০ কিলোমিটার। এখানে জনবল ও লজিস্টিক স্বল্পতা আছে। এর মধ্যে আমরা সীমিত জনবল ও লজিস্টিক দিয়ে সড়ক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘থ্রি হুইলারের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় আইন প্রয়োগ একটু সময়সাপেক্ষ। ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী নিয়মিত জব্দ ও অভিযান পরিচালনা করছি।’

কঠোর নির্দেশনা, তবুও বাস্তবতা ভিন্ন
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মহাসড়কে অননুমোদিত ও লাইসেন্সহীন কোনো থ্রি-হুইলার বা নন-মোটরাইজড যান চলাচল রুখতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে জাতীয় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশাসহ সব শ্রেণির অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দেশের ২২টি জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে ব্যস্ততম ঢাকা-সিলেট মহাসড়কও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে মহাসড়কজুড়ে এখনো সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ যানবাহনের দাপট দেখা যাচ্ছে।
এমন বাস্তবতায় শুধু অভিযান পরিচালনা নয়, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর টাস্কফোর্স গঠন এবং নিয়মিত নজরদারি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।