ছবি: এসএমপি।
সিলেটের এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে এক যুবককে ডেকে এনে অপহরণ, মারধর ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জিল্লুর রহমান (২৭) নামে এক যুবকের সঙ্গে কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় মীম আক্তার নাহিদার। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে।
গত ১ জুন রাতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মীম আক্তার নাহিদা জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য এয়ারপোর্ট থানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোড এলাকার বড়বাজার গলির মুখে ডেকে নেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখানে পৌঁছালে মীম আক্তারসহ মিল্লাত, এমরান খান ও স্বপন আহমেদ তাকে জোরপূর্বক ধরে মারধর করে অপহরণ করে।
পরে তাকে সিএনজিযোগে কুনিপাড়া এলাকায় নিয়ে একটি বসতঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত শিল্পি বেগমসহ অন্য আসামিরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়।
সংবাদ পেয়ে ১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এএসআই (নিঃ) এমদাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় অপহৃত জিল্লুর রহমানকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মীম আক্তার নাহিদা (২২), মিল্লাত (২০), শিল্পি বেগম ওরফে শিল্পি দেওয়ান (৪০), এমরান খান (২৪) এবং স্বপন আহমেদ (২৩)।
এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় অপহরণ, অবৈধ আটক, মারধর, চাঁদাবাজি, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
