শিরোনাম
সিলেটে হঠাৎ চিরুনি অভিযানে পুলিশ: ৪ ঘন্টায় আ/টক ১১০ জন আবুল হোসেন হত্যা মামলা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটসহ আট জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা রপ্তানি বাড়াতে চামড়া শিল্পে ২৩ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী ৪,৮০০ ‘অবৈধ অভিবাসীকে’ বাংলাদেশে ফেরত, হোল্ডিং সেন্টারে আরও ৮৩৬ জন: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী  ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহ.ত ৪, আহ.ত অন্তত ৪০ সুনামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ সিলেটজুড়ে ব্যাপক অভিযানে আ/টক ১৭১: প্রায় ২শ গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘ.র্ষ, ওসিসহ আহ.ত অর্ধশতাধিক রাত ১০ টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

https://www.emjanews.com/

16045

international

প্রকাশিত

০৩ জুন ২০২৬ ১৩:২৪

আন্তর্জাতিক

তৃণমূলের প্রতি সমর্থনের জেরে কি নিরাপত্তা কমানো হলো সৌরভ গাঙ্গুলীর? 

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬ ১৩:২৪

ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমানোর সিদ্ধান্তকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। এতদিন ‘জেড’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাওয়া সৌরভকে এখন ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

সরকারি সূত্রের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক আমলা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের নীতি অনুযায়ী, যাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচি ও নেতৃত্বের সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলীর ঘনিষ্ঠতা এবং তার প্রতি ইতিবাচক অবস্থানের কারণেই তার নিরাপত্তা কমানো হয়েছে। যদিও এ দাবির পক্ষে কোনো সরকারি প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৩ সালে সৌরভের নিরাপত্তা ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছিল। সেই সময় তার নিরাপত্তায় একাধিক পুলিশ সদস্য ও বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপত্তা কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

এ বিষয়ে সৌরভ গাঙ্গুলী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে নিরাপত্তা কমানোর পেছনে প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নাকি রাজনৈতিক বার্তা; তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত থাকবে।