শিরোনাম
তিস্তা ইস্যুতে ভারতের উদ্বেগ নাকচ, সহযোগিতা বাড়াবে চীন যাদুকাটা নদীতে বালু লুটের মহোৎসব, ধ্বংসের মুখে সীমান্তের পর্যটন নদী সিলেটে সুরমা-কুশিয়ারার পানি বাড়ছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা সিলেটকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার সিলেটে পৌঁছাবে কাতারে দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ সিলেটে উদ্ধার হওয়া ৬৮টি মোবাইল হস্তান্তর করল পুলিশ সিলেটে দেশের সবচেয়ে কম অপরাধ: আশার আলো দেখছে নগরবাসী জুলাই মাসে সিলেট নগরীতে চলাচলে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা সিলেটে বন্যার সতর্কতা জারি ৮ জেলায় তাপপ্রবাহ, সিলেটে ৫ দিন ভারী বর্ষণের আভাস

https://www.emjanews.com/

16769

surplus

প্রকাশিত

২৯ জুন ২০২৬ ২১:২৫

আপডেট

২৯ জুন ২০২৬ ২১:২৯

অন্যান্য

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬ ২১:২৫

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় অপহরণ মামলায় সাত বছরেরও বেশি সময় কারাভোগের পর অবশেষে খালাস পেয়েছেন দুই বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিক। দেশটির আপিল আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অপহরণের অভিযোগে দেওয়া দোষী সাব্যস্তের রায় বাতিল করে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

মুক্তি পাওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন ৪২ বছর বয়সী ফারুক শাহাবুদ্দিন এবং ৪০ বছর বয়সী হোসনেয়ারা বেগম রবেসালি। সোমবার (২৯ জুন) তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে তাদের আপিল মঞ্জুর করেন। বেঞ্চের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি আজমি আরিফিন| অপর দুই বিচারপতি ছিলেন রাদজি আবদুল হামিদ ও আহমদ শাহরির সালেহ।

রায়ের ফলে তাদের বিরুদ্ধে ১৯৬১ সালের অপহরণ আইনের ৩(১) ধারায় দেওয়া দোষী সাব্যস্তের রায় বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে আলোর সেতার হাইকোর্টের দেওয়া ৩০ বছরের কারাদণ্ড এবং ফারুকের ওপর আরোপিত এক বেত্রাঘাতের সাজাও বাতিল করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আলোর সেতার হাইকোর্ট ফারুক ও হোসনেয়ারাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। অভিযোগ ছিল, তারা ২০১৮ সালের ২২ ডিসে¤^র রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে কেদাহর কুলিম বাসস্টেশন এলাকা থেকে ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নির্মাণশ্রমিক সাইফুল ইসলাম সলিহউদ্দিনকে অপহরণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি ছিল, তারা মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সাইফুলকে আটকে রেখেছিলেন।

তবে আপিল শুনানিতে ফারুকের আইনজীবী আরএসএন রায়ের যুক্তি ছিল, রাষ্ট্রপক্ষ অপহরণ মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভুক্তভোগীকে অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিপ্রায় প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

আদালত পঞ্চম সাক্ষী নূর আলী স্যাফিখ মারজুকির সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তিনি জানান, যেই বাড়িতে সাইফুলকে পাঁচ দিন আটকে রাখার অভিযোগ করা হয়েছিল, সেই সময় তিনি নিজেও সেখানে অবস্থান করছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাইফুল অবাধে চলাফেরা করতেন; তাকে কোথাও আটকে রাখা হয়নি কিংবা তার চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

আপিল আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেন, ঘটনাটি সাইফুলের বাবার কাছ থেকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে সাজানো হয়ে থাকতে পারে এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ফারুকের পক্ষে আইনজীবী আরএসএন রায়ের ও আর. থান্ডাইয়ুথাবানি এবং হোসনেয়ারার পক্ষে আহমদ তৌফিক বাহারোম আদালতে শুনানি পরিচালনা করেন| রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর সিতি রাফিদাহ জয়নুদ্দিন।