শিরোনাম
আনন্দভ্রমণে মৃত্যু: টাঙ্গুয়ার হাওরে ৪ মাসে ৫ প্রাণহানি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন স্লিপার বাস বন্ধ ও ইটিসি সিস্টেম চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন: চিকিৎসক বরখাস্তের নির্দেশ স্থানীয় নির্বাচন: জনপ্রিয়তা-গ্রহণযোগ্যতা-ত্যাগে জোর, বিদ্রোহীদের নিয়ে সতর্ক বিএনপি সিলেটে যে অপরাধে ধরা পড়লেন ২৬ জন হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হ/ত্যা সিলেট সীমান্তে ২৯ লক্ষ টাকার চো/রাচালানী মালামাল জব্দ ৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী অবশেষে সুনাই নদীতে নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল বিয়ানীবাজার

https://www.emjanews.com/

16888

law-justice

প্রকাশিত

০৪ জুলাই ২০২৬ ২২:৫২

আইন আদালত

মাজারে ও বাউলদের ওপর হা.মলায় জড়িতদের চিহ্নিতকরণের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬ ২২:৫২

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার, বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এসব হামলার ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার এবং সিআইডি প্রধানকে কার্যকর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত আগামী দুই মাসের মধ্যে এই তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২১ জুন এই আদেশ দিলেও শনিবার (৪ জুলাই) বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। দেশের বিভিন্ন মাজার ও সাধু-সন্ন্যাসীদের ওপর সাম্প্রতিক উগ্রবাদী হামলার বিচার এবং তাঁদের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিতে উচ্চ আদালতে এই রিট করা হয়।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় আবেগের দোহাই দিয়ে সুফি সাধক ও বাউলদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। যা নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

শুনানি শেষে আদালত দোষীদের শনাক্তের নির্দেশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে একটি রুল জারি করেছেন।

রুলে আদালত জানতে চেয়েছেন, কেন বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় চর্চা ও বিশ্বাসের ওপর ভবিষ্যতে হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না? এছাড়া এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা-ও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

আদালতের এই নির্দেশনাকে মাজার ও লোকজ সংস্কৃতির ধারকদের সুরক্ষায় একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সচেতন সমাজ।