শিরোনাম
ক্ষমতার পালাবদলে সিলেটের সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা আজ কে কোথায় ১০ জেলায় বন্যার শঙ্কা, সিলেট-সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদীর পানি প্রভাষক পরিচয়ে খাতা মূল্যায়ন, আসলে কলেজের অফিস সহকারী! ‘জুলাই কার- এই বিভাজন সৃষ্টি করবেন না, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় শ্রম সংকট: আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ আনোয়ারের সিলেটে অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের সং/ঘর্ষে প্রাণ গেলো যুবকের জ্বালানি সংকট কাটাতে আরও সময় লাগবে: সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে থামছে না হামের ছোবল, আজও দুই শিশুর মৃ / ত্যু সিলেটের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের সভা নতুন পে স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তা

https://www.emjanews.com/

17590

politics

প্রকাশিত

০৫ আগস্ট ২০২৬ ২২:১৯

রাজনীতি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সিলেট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ ২২:১৯

‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর কুমারপাড়াস্থ প্লাটিনাম লাউঞ্জে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিএনপি জুলাইকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ১৭ বছরের ধারাবাহিক সংগ্রাম এবং জুলাইয়ের রক্তঝরা জাগরণের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জিত হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এই গণআন্দোলন সফলতা লাভ করে। বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, অসংখ্য নেতাকর্মীর ত্যাগ, নির্যাতন, গুম, কারাবরণ ও আত্মত্যাগ এ আন্দোলনের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন ক্রমান্বয়ে এক দফার গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ সংগ্রাম চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, এমপি।

বক্তারা অতীতের গুম, খুন, নির্যাতন, ভোটাধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলীকরণ এবং দুর্নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।

তাঁরা জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় রাখা, মতপার্থক্যকে গণতান্ত্রিকভাবে মোকাবিলা করা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কখনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ বা উগ্রবাদের পুনরাবৃত্তি না ঘটে- সে বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে যথাক্রমে স্বাধীনতা অর্জন ও স্বাধীনতা-গণতন্ত্র রক্ষার দুটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে উভয় সময়ের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সভায় বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি এড. আশিক উদ্দিন আশুক ও নাজিম উদ্দিন লস্কর, উপদেষ্টা কামরুল হাসান শাহীন ও অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তরফদার, যুগ্ম সম্পাদক এড. হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, এড. আবু তাহের, এড. মোমিনুল ইসলাম মোমিন, এড. সাঈদ আহমদ, আবুল কাশেম ও জসিম উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ ও এড. আল আসলাম মুমিন।

এছাড়া সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লোকমান আহমদ, জয়নাল আহমদ রানু, আলী আকবর, আজিজুর রহমান, সাহিদুল হক সুহেল ও মাহবুব আলম; সহসম্পাদক অর্জুন ঘোষ, আহাদ চৌধুরী শামীম, শাহীন আলম জয়, ডা. নাজিম উদ্দিন, এড. ওবায়দুর রহমান ফাহমী, আহমদ সোলায়মান, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খাঁন, আক্তার হোসেন রাজু ও মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী; সদস্য আশরাফুল আলম বাহারসহ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।