শিরোনাম
সিলেটে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, কালের কণ্ঠের কবির হাসপাতালে গ্রিসে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপরে, সিলেটে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা ওসমানীনগর ট্রাজেডি: এক শিশুসহ ৬ জনের পরিচয় মিলেছে ওসমানীনগরের সড়কে প্রাণ গেল সোবহানিঘাটের প্রীতমের সিলেটে হামের হানায় প্রাণ গেলো আরও দুই শিশুর, হাসপাতালে ৯৩ সিলেটে বন্ধুদের সাথে ভ্রমণ শেষে ফেরা হলো না সাইফুলের সিলেটে গান গাইতে এসে প্রাণ গেলো বাউল শিল্পী পেহেলী ভৈরবীর সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: শিশুসহ নিহত ৯ সরকার পতনের আগে-পরে শেখ পরিবারের সদস্যরা কে কোথায়

https://www.emjanews.com/

17633

surplus

প্রকাশিত

০৭ আগস্ট ২০২৬ ২২:০২

অন্যান্য

গ্রিসে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬ ২২:০২

ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় গ্রিসের দক্ষিণ ক্রিতে গত ৪৮ ঘণ্টায় ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির উপকূলীয় কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একটি বড় অংশই বাংলাদেশি নাগরিক।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গ্রিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ‘দিমোকরাতিয়া’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ‘ফ্রন্টেক্স’-এর নজরদারি বিমানে প্রথমে অভিবাসীবাহী নৌকাগুলো শনাক্ত করা হয়। এরপর কোস্টগার্ড ও স্থানীয় মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে আসা হয়।

উদ্ধার অভিযানে দেখা যায়, একটি নৌকায় ৩১ জন সুদানি ও ২৫ জন বাংলাদেশি এবং অন্যটিতে ৪৭ জন বাংলাদেশি ও ৯ জন মিশরীয় নাগরিক ছিলেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা: তিন বছরে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ

ক্রিত দ্বীপে অভিবাসীদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় আবাসন কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্ধারকৃতদের আপাতত হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।

এদিকে মানবপাচারের অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক দক্ষিণ সুদানি কিশোরকে আটক করেছে গ্রিক পুলিশ। অভিবাসীদের দেওয়া তথ্যমতে, লিবিয়ার তবরুক থেকে জনপ্রতি ১৫০০ থেকে ২০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ওই কিশোর নৌকাটি পরিচালনা করে গ্রিস সীমান্তে নিয়ে এসেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই বিপজ্জনক প্রবণতা আবারও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।