শিরোনাম
বালু লুট ঠেকাতে সুনামগঞ্জের ধোপাজানে পুলিশের সিসি ক্যামেরা! সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি মিললেও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে! দোয়ারাবাজারে গরু চুরির অভিযোগে তিনজনকে নির্যাতন, চুন ঢালা হলো চোখে শনিবার সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক

https://www.emjanews.com/

18577

national

প্রকাশিত

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৪৭

জাতীয়

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়বে লোডশেডিং

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৪৭

ছবি: সংগৃহীত

কয়লা সরবরাহ বাড়ার পর উৎপাদন বাড়াতে শুরু করেছিল ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্যেই কারিগরি ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং আরও বেড়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমে যায়। গত মাসের শেষ দিকে উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটিতে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়।

১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়ালেও একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে।

কেন্দ্রটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বয়লারে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এটি ঠান্ডা হতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এরপর ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু হবে। ফলে উৎপাদন স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

এদিকে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে একাধিক সংকট চলছে। গ্যাসের সংকটে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন কমেছে। পাশাপাশি পায়রা, রামপালসহ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি ত্রুটি ও কয়লা সংকটে কম সক্ষমতায় চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জ্বালানি তেল দিয়ে ঘাটতি পূরণ করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। শুক্রবার ছুটির দিন সকালেও সারা দেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হয়েছে।