শিরোনাম
ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক ভারতে কয়লা খনিতে সিলেটের যুবকের মৃ/ত্যু সুনামগঞ্জের ৩ যুবককে কাশ্মীরে পাচার, দফায় দফায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সালমান শাহ হ/ত্যা: ডনের আচরণে মিলেছে ‘সংশ্লিষ্টতার আভাস’ সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ

https://www.emjanews.com/

18518

national

প্রকাশিত

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৪

আপডেট

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২৪

জাতীয়

সংসদে সেতুমন্ত্রী

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৪

ছবি: সংগৃহীত

ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও ভৌত কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ফলে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালের মাঝামাঝি শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আশা করছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মাহফুজা হান্নানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির আগের সাড়ে চার বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। তবে গত ছয় মাসে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শতভাগ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজেও আগে তেমন অগ্রগতি ছিল না বলে জানান মন্ত্রী। তবে বর্তমানে এ কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতিও গত ছয় মাসে বেড়েছে। মন্ত্রী জানান, আগে প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি ছিল প্রায় ১৩ শতাংশ। বর্তমানে তা ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে। প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের আওতায় বিভিন্ন অংশে ভৌত কাজ চলছে।

সব কাজ নির্ধারিত গতিতে এগিয়ে নিতে পারলে ২০২৯ সালের মাঝামাঝি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ রবিউল আলম।

সিলেট প্রান্তে ৭ কিলোমিটার সড়ক মেরামত

এদিকে বিদ্যমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কয়েকটি অংশের বেহাল দশা নিয়েও সংসদে উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে। মন্ত্রী স্বীকার করেন, মহাসড়কের কিছু অংশে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, বড় একটি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যে চলমান থাকায় মেরামতকাজের ব্যয় নির্ধারণে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে মহাসড়কটির জাতীয় গুরুত্ব এবং ওই এলাকায় কয়েকটি দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট প্রান্ত থেকে প্রথম সাত কিলোমিটার দ্রুত মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ওই অংশের মেরামতকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

সরকারের আশা, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যোগাযোগব্যবস্থা আরও নিরাপদ ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।