শিরোনাম
ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক ভারতে কয়লা খনিতে সিলেটের যুবকের মৃ/ত্যু সুনামগঞ্জের ৩ যুবককে কাশ্মীরে পাচার, দফায় দফায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সালমান শাহ হ/ত্যা: ডনের আচরণে মিলেছে ‘সংশ্লিষ্টতার আভাস’ সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ

https://www.emjanews.com/

18546

national

প্রকাশিত

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৩২

আপডেট

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৪৭

জাতীয়

ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৩২

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে। এনবিআরের ওই কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে বৃহস্পতিবার এ রায় দিয়েছেন হাই কোর্ট বিভাগ।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী খাজা তানভীর বলেন, এনবিআরের কর দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে তারা হাই কোর্টে রিট করেছিলেন। আদালত সেই রুল খারিজ করে দেওয়ায় এনবিআরের দাবিই বহাল থাকল।

তবে হাই কোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা ভাবছে গ্রামীণ কল্যাণ। আইনজীবী খাজা তানভীর বলেন, বিষয়টি নিয়ে মক্কেলের সঙ্গে আলোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কত দিনের মধ্যে ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর অর্থ পরিশোধের সময়সীমা জানা যাবে বলে জানান গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী।

এনবিআরের ওই কর দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ২০১৭ সালে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেছিল গ্রামীণ কল্যাণ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সেই রিটের ওপর রায় দিলেন আদালত।
 

এর আগে চব্বিশের আগস্টে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেওয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭-এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রায় রুল দেন।

আজ রুল খারিজ করলেন হাইকোর্টের নতুন এ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।

 ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন গত জুলাই মাসে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন  ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির ভিত্তিতে পাওয়া মুনাফার ওপর গ্রামীণ কল্যাণ ইতোমধ্যে ১৫ শতাংশ হারে উৎস কর বা ট্যাক্স অ্যাট সোর্স পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে পুনরায় এই ৬৬৬ কোটি টাকা কর আরোপ করেন।