শিরোনাম
বালু লুট ঠেকাতে সুনামগঞ্জের ধোপাজানে পুলিশের সিসি ক্যামেরা! সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি মিললেও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে! দোয়ারাবাজারে গরু চুরির অভিযোগে তিনজনকে নির্যাতন, চুন ঢালা হলো চোখে শনিবার সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক

https://www.emjanews.com/

18581

sylhet

প্রকাশিত

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৩৭

সিলেট

কমলগঞ্জে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, পাশে চিরকুট, ‘আমাকে মাফ করে দিও’

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৩৭

ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জেসি চৌধুরী (১৮) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুট ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। চিরকুটটি আদৌ জেসি চৌধুরীর লেখা কি না, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো ঘটনা; তা নিয়ে এখন চলছে আলোচনা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের নারায়ণক্ষেত্র গ্রামে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জেসি চৌধুরী ওই গ্রামের জামাল চৌধুরী ও রুবি বেগমের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিজ কক্ষে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে মুন্সীবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ আহমদ তরফদার ও কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে লেখা ছিল- ‘সবে আমাকে মাফ করি দিও, আমি মানসিক কষ্ট আর নিতে পারছি না।’

এই চিরকুটই এখন মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। চিরকুটের ভাষা ও হাতের লেখা পরীক্ষা করে এটি জেসির নিজের লেখা কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে কী কারণে তিনি ‘মানসিক কষ্টে’ ছিলেন, সেই বিষয়টিরও তদন্ত হওয়া দরকার বলে প্রতিবেশীরা মনে করছেন। 
 কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব রায় জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের আলামত এবং চিরকুটের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু-তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।