https://www.emjanews.com/

18813

sylhet

প্রকাশিত

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫৩

আপডেট

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:০৫

সিলেট

জুড়ী

অটোরিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যার পর নদীতে লাশ, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫৩

নিহত আবুল কালাম

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূ ও তাঁর মেয়ের বিরুদ্ধে।

নিহত আবুল কালাম (৪০) উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড় ধামাই গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মা আছমা বেগম (৩৮) ও মেয়ে লিমা আক্তারকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আছমা বেগম হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে জুড়ী থানা পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত কালামের সঙ্গে আছমা বেগমের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। আছমার স্বামী মারা যাওয়ার পর পরিবারের জীবিকার প্রয়োজনে তিনি একটি অটোরিকশা কেনেন, যা ভাড়ায় চালাতেন কালাম। এই সূত্র ধরে তাঁদের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত মঙ্গলবার রাতে কালাম আছমাদের বাড়িতে যান, এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জায়ফরনগর ইউনিয়নের জাঙ্গিরাই এলাকায় জুড়ী নদীতে একটি অজ্ঞাত লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করলে স্বজনরা তা কালামের বলে শনাক্ত করেন। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত পাওয়া গেছে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কালামের ছোট ভাই হাফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে জুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তের অংশ হিসেবে কালামের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করে আছমা ও তাঁর মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আছমা বেগম হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদানের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।