শিরোনাম
সিলেটসহ ৬ শহরে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলায় জেলায় মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী ‘আমাকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনুন’, সৌদি থেকে হবিগঞ্জের রেহেনার আকুতি মৃত চেলায় দিনরাত চলছে শতাধিক ড্রেজার, দুই দিনে ২০ কোটি টাকার বালু লুটের অভিযোগ সিলেটে আন্দোলনের মুখে সুরমা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ ৭২ শিক্ষানবিশ এএসপির পদায়ন, সিলেটে দুইজন সুখবর দিলেন মন্ত্রী আরিফ: ১০ হাজার কর্মী নিচ্ছে যে দেশ সিলেটে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে হচ্ছে কমিটি: মন্ত্রী আরিফুল হক খু/ন করে পালিয়ে সিলেটে লুকানোর চেষ্টা: অবশেষে ধরা সিলেট সীমান্তে চো/রাচালান পণ্য জব্দ বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে সিলেটে আইসিসির প্রতিনিধি দল

https://www.emjanews.com/

19327

national

প্রকাশিত

০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৫৬

জাতীয়

সিলেটসহ ৬ শহরে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলায় জেলায় মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৫৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাসনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে বাংলাদেশে পরিকল্পিত নগরায়নের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ বাস্তবতায় জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসনের মতো নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা মোকাবিলায় সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পরিকল্পিত নগরায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়টিও সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারে রয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে বস্তিবাসীদের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ তৈরি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘরের নিশ্চয়তা নয়; এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার নিশ্চয়তাও জড়িত। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।

পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে একটি মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।