শিরোনাম
সিলেটসহ চার বিভাগে শৈত্যপ্রবাহের আভাস নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মাউন্ট এডোরার মাতৃসেবা ইউনিটে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে নতুন নীতিমালা হচ্ছে: হবিগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী হাজ্জাজ সিলেটে ভাতিজাকে ‘পাগল’ বলায় চাচাকে খু/ন আজ থেকে টানা ৪ দিন সিলেটে কম থাকবে গ্যাসের চাপ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে জেল হত্যা দিবসের প্রদর্শনী স্থগিত সিলেটে মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ননীছড়া দখল-দূষণমুক্ত করার দাবি সুবিপ্রবির শিক্ষার্থীরাই একদিন দেশের নেতৃত্ব দেবে: উপাচার্য বিমানের দাম্মাম রুটে ফ্লাইট শুরু ৭ নভেম্বর সিলেটে গোপনে তৈরি হচ্ছিল নিষিদ্ধ ‘যৌন উদ্দীপক’ পণ্য, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

https://www.emjanews.com/

20324

international

প্রকাশিত

০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৯:২৮

আন্তর্জাতিক

গ্রিসে ডিটেনশন সেন্টার থেকে পালানো ১০ বাংলাদেশির ৭ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৯:২৮

ছবি: সংগৃহীত

গ্রিসের উত্তরাঞ্চলে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত একটি আটককেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়া ১০ বাংলাদেশির মধ্যে সাতজনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। বাকি তিনজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

গেলো সোমবার (২ নভেম্বর) গ্রিক পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে গ্রিসের সেরেস অঞ্চলের ক্লেইদি গ্রামের কাছে সিনতিকি এলাকায় অবস্থিত অভিবাসীদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য নির্ধারিত আটককেন্দ্র থেকে পালানোর ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের বয়স ২১ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে।

পুলিশ জানায়, ১০ জনের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানার পর আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়। পরে অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তবে বাকি তিনজনের সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

রোববার পর্যন্ত ওই আটককেন্দ্রে মোট ১২৫ জন অভিবাসী অবস্থান করছিলেন।

এদিকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কেন্দ্রটিতে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ ১০ বাংলাদেশির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি কেন্দ্রটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

সেরেস পুলিশ কর্মকর্তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইয়ানিস কুনিওস গ্রিসের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরটিকে জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হয়েছে।

তিনি কেন্দ্রটির অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের অনিরাপদ কর্মপরিবেশের বিষয়গুলো তুলে ধরে এটি বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

কুনিওসের মতে, কেন্দ্রটিতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সমস্যার ধারাবাহিকতা। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো এসব সমস্যার যথাযথ সমাধান করতে পারেনি।