শিরোনাম
সিলেটে এক সিএনজি চালকের ছু/রিকাঘা/তে আরেক চালক খু/ন সিলেটে স্কুল ছাত্রীর মায়ের মাম/লায় গ্রে/প্তার ‘প্রেমিক’ সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ৩০ জন পুতিন-ট্রাম্প-শি’র ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা বাংলাদেশিদের অবৈধ পথে ইউরোপযাত্রা ঠেকাতে ঢাকার সহযোগিতা চায় গ্রিস সৌদি আরবে ১০ মাসে ১৮৮ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সবচেয়ে বেশি মাদক মামলায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী

https://www.emjanews.com/

10090

sylhet

প্রকাশিত

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:২৮

আপডেট

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:৩২

সিলেট

সিলেটে মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা পালিত হচ্ছে, মণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ঢল

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:২৮

ছবি: ইমজা নিউজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার অন্যতম বিশেষ দিন মহাঅষ্টমী আজ মঙ্গলবার সিলেটে ভক্তি, শ্রদ্ধা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখরিত শহরের মণ্ডপগুলোতে সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল নামে।

কুমারী পূজা: অষ্টমীর প্রধান আকর্ষণ

অষ্টমী পূজার মূল তাৎপর্য পূর্ণতা পায় কুমারী পূজায়। সকাল থেকে সিলেট শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে এর আয়োজন করা হয়। ২ থেকে ১২ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে দেবীর প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে তাঁকে শুদ্ধ পোশাকে স্নান করিয়ে দেবীর রূপে সাজানো হয়। পূজার আসনে বসিয়ে তাঁর চরণ ধৌত করে ফুল, চন্দন, সিঁদুর ও ধূপ-ধুনায় অর্চনা করা হয়। ভক্তরা ভক্তিভরে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন।

ভক্তদের বিশ্বাস, এভাবে কুমারী পূজিত হলে দেবী দুর্গার শক্তি ও পবিত্রতা সঞ্চারিত হয়, জীবনের অশুভ দূর হয় এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে।

পূজার আবহ

আজ সকালে সিলেটের পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তরা সারিবদ্ধ হয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেন এবং দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন শান্তি, সমৃদ্ধি ও অশুভ শক্তির বিনাশের জন্য। মণ্ডপজুড়ে ছিল ভক্তিমুখর পরিবেশ।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পুষ্পাঞ্জলি, এরপর ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। দুপুরে পরিবেশিত হয় মহাপ্রসাদ। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধিপূজা, যা অষ্টমীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার। এতে মণ্ডপজুড়ে সৃষ্টি হবে আরও এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আধুনিক তাৎপর্য

কুমারী পূজার প্রচলন বহু প্রাচীন। স্বামী বিবেকানন্দ কুমারী পূজাকে সর্বজনীন মর্যাদা দিয়ে সমাজে প্রসারিত করেন। বর্তমান সময়ে এটি শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং নারী-পুরুষ সমতার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। নারী যে শক্তির উৎস-এই বার্তাই বহন করে কুমারী পূজা।

দুর্গোৎসবের ধারাবাহিকতা

গত রোববার মহাষষ্ঠীর চণ্ডীপাঠ, কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। সোমবার মহাসপ্তমীতে কলাবউ স্নান, ঘট প্রতিস্থাপন ও দেবীর মহাস্নানের মাধ্যমে শুরু হয় মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা। আজ মহাঅষ্টমীর মধ্য দিয়ে পূজা ভক্তি ও উল্লাসে ভরে উঠেছে।

প্রতীকী আগমন

এ বছর দেবী দুর্গা মর্ত্যলোকে এসেছেন গজ বা হাতিতে চড়ে। শাস্ত্র মতে, এটি সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের প্রতীক। ভক্তদের বিশ্বাস, দেবীর এ আগমন ভালো বৃষ্টিপাত, অধিক ফসল ও দেশের সামগ্রিক শান্তি-সমৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করছে।