শিরোনাম
ভূমধ্যসাগরজুড়ে লাল ধুলিঝড়, সতর্কতা জারি বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা ফের সরকারের হাতে শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা: মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন মন্ত্রী-উপদেষ্টা চুয়াডাঙ্গার বাতাসে আগুন, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই দেশের স্বার্থে যেন জ্বালানী ব্যবহারে আমরা সাশ্রয়ী হই: বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের স্বার্থে যেন জ্বালানী ব্যবহারে আমরা সাশ্রয়ী হই: বাণিজ্যমন্ত্রী বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কষ্ট বুঝে বলেই তেলের দাম বাড়ায়নি:খন্দকার মুক্তাদির ১৪ বছরেও সন্ধান মেলেনি ছাত্রদল নেতা দিনারের উন্নয়নকাজে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের আগামীকাল সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির এমপি

https://www.emjanews.com/

14704

law-justice

প্রকাশিত

০৩ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৭

আইন আদালত

বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা ফের সরকারের হাতে

২০ অধ্যাদেশ বাতিলের পথে

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৭

ছবি: সংগৃহীত

বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা পুনরায় সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ চলতি সংসদ অধিবেশনে অনুমোদন না পাওয়ায় বাতিলের পথে রয়েছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা-সম্পর্কিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন উত্থাপন করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে উত্থাপন করা হবে না; পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে নতুনভাবে বিল আনা হবে। অন্যদিকে বাকি ১১৩টির মধ্যে ৯৮টি হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

সংসদ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ২০টি অধ্যাদেশ অনুমোদন না পাওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা শেষে সেগুলোর কার্যকারিতা লোপ পাবে। আগামী ১০ এপ্রিলের পর এসব অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাবে বলে জানা গেছে।

বিশেষ কমিটি সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ১৩ সদস্যের এ কমিটিতে ১০ জন বিএনপির এবং তিনজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য রয়েছেন। কমিটি তিনটি আনুষ্ঠানিক ও একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। তবে ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন।

এদিকে যেসব অধ্যাদেশ বাতিলের পথে রয়েছে, তার বেশিরভাগই অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কারের অংশ হিসেবে জারি করা হয়েছিল। ফলে এসব অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারালে সরকারের সংস্কার উদ্যোগে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়েও নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে বিচারপতি নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সচেতন মহল। তাদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং এটি সংস্কারের চেতনার পরিপন্থি।

সব মিলিয়ে অধ্যাদেশ বাতিল ও সংশোধনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।