ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি। এর মধ্যেই সম্ভাব্য ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন লিওনেল স্কালোনি- এমনটাই জানিয়েছে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম।
তবে ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো-র চোট দলকে কিছুটা চিন্তায় ফেলেছে। টটেনহ্যাম হটস্পার-এর হয়ে খেলতে গিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পরে তার ডান পায়ের লিগামেন্টে সমস্যা ধরা পড়ে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তার সুস্থ হতে ৫ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে, যা দলকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।
এই পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে লিওনার্দো বালের্দি-কে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়া দলে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে রয়েছেন মার্কোস সেনেসি এবং ফাকুন্দা মেদিনা। ১৬ জুন আলজেরিয়া-র বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কোচিং স্টাফ রোমেরোকে ঝুঁকিতে ফেলতে নাও পারে। সে ক্ষেত্রে বালের্দির একাদশে থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
এদিকে চোটের কারণে জুয়ান ফয়েথ ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। ফলে পঞ্চম সেন্টার-ব্যাক কে হবেন, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। বর্তমানে নিশ্চিত ডিফেন্ডারদের মধ্যে রয়েছেন রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও বালের্দি।
পঞ্চম ডিফেন্ডার হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সেনেসি, যিনি বোর্নমাউথ-এর হয়ে নিয়মিত খেলছেন। ২০২২ সালে ফেইনুর্দ থেকে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যে পরিণত হয়েছেন। চলতি মৌসুমে ৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন এবং বেশিরভাগ সময়ই ছিলেন মূল একাদশে। সম্প্রতি জাতীয় দলেও সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে অলিম্পিক মার্সেই-এর হয়ে খেলা মেদিনা কিছুটা পিছিয়ে আছেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় দলে খেলেছেন গত বছরের জুনে, এরপর আর ডাক পাননি এবং চোটও তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্ভাব্য স্কোয়াড (সংক্ষেপে):
গোলরক্ষক:
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুল্লি
ডিফেন্ডার:
নাহুয়েল মলিনা, গঞ্জালো মন্তিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস তালিয়াফিকো
মিডফিল্ডার:
লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্তার, এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দি পল, নিকো গঞ্জালেস, এজেকুয়েল পালাসিওস, নিকোলাস পাজ, থিয়াগো আলমাদা
ফরোয়ার্ড:
গুলিয়ানো সিমিওনে, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ, হোসে লোপেজ
বিশ্বকাপের আগে স্কোয়াড নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে রয়েছে আর্জেন্টিনা, তবে ইনজুরি পরিস্থিতি এখনো বড় ফ্যাক্টর হয়ে থাকছে।
