https://www.emjanews.com/

15052

surplus

প্রকাশিত

১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০২

অন্যান্য

কফি শুধু এনার্জির উৎস নয়, ত্বকের যত্নেও সহায়ক

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০২

দিনের শুরুতে এক কাপ কফি অনেকের জন্য এনার্জির উৎস। এটি শরীরকে চাঙা করে এবং কাজের গতিও বাড়ায়। তবে শুধু পানীয় হিসেবেই নয়, ত্বকের যত্নেও কফির ব্যবহার সম্প্রতি বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কফিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে ফেনল জাতীয় উপাদান, যা ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে কাজ করে। এতে ত্বকের ক্ষতি কমাতে সহায়ক হতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম বড় উৎস হল কফি, যা চা বা ওয়াইনের চেয়ে বেশি।

ত্বকের যত্নে কফির কিছু উপকারিতা হলো—

সেলুলাইট কমাতে সহায়ক
কফির ক্যাফেইন রক্ত চলাচল বাড়াতে পারে, ফলে সেলুলাইটের দাগ কম দেখা যায়। স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত কোষ দূর হয়ে ত্বক মসৃণ হয়।

ত্বকের জ্বালা-পোড়া কমায়
কফির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, যা জ্বালা-পোড়া বা অস্বস্তি কমাতে সহায়ক।

বয়সের ছাপ কমাতে পারে
গবেষণায় দেখা গেছে, ত্বকের রোদে পড়া দাগ, লালচে ভাব ও সূক্ষ্ম বলিরেখা কমাতে কফি কিছুটা কার্যকর হতে পারে।

ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা
কফিতে থাকা ভিটামিন বি-৩ (নিয়াসিন) ত্বকের কিছু ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে
কফির ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও মেলানোইডিন ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং দাগ হালকা করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্রণ কমাতে সহায়ক
কফির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ও স্ক্রাবিং ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, যা ব্রণ কমাতে সহায়ক।

চোখের নিচের কালো দাগ হালকা করতে পারে
ক্যাফেইন রক্তনালি প্রসারিত করে কালচে ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। চোখের নিচের দাগের জন্য কফির গুঁড়া ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে হালকা করে লাগিয়ে ৫–১০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।

রোদে পোড়া ভাব কমায়
কফি ত্বকের লালচে ভাব ও ফোলাভাব কমাতে পারে। রোদে পোড়া ত্বকে ঠাণ্ডা কফি কাপড়ে ভিজিয়ে আলতো করে লাগানো যেতে পারে। এক কাপ কফি বানিয়ে এতে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে পাতলা করলে, নরম কাপড় বা টিস্যু দিয়ে পোড়া জায়গায় দিনে কয়েকবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে, কফির এই বহুমুখী ব্যবহার থাকলেও ত্বকে এর প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করেও ফল না মিললে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নতুন কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করলে কিছুটা সময় দিয়ে ফলাফল পর্যবেক্ষণ করাই ভালো।