শিরোনাম
আ.লীগের নেতাকর্মীদের জন্য খুলছে নতুন পথ, কী শর্ত দিল সরকার? সিলেটে হঠাৎ চিরুনি অভিযানে পুলিশ: ৪ ঘন্টায় আ/টক ১১০ জন আবুল হোসেন হত্যা মামলা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটসহ আট জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা রপ্তানি বাড়াতে চামড়া শিল্পে ২৩ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী ৪,৮০০ ‘অবৈধ অভিবাসীকে’ বাংলাদেশে ফেরত, হোল্ডিং সেন্টারে আরও ৮৩৬ জন: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী  ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহ.ত ৪, আহ.ত অন্তত ৪০ সুনামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ সিলেটজুড়ে ব্যাপক অভিযানে আ/টক ১৭১: প্রায় ২শ গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘ.র্ষ, ওসিসহ আহ.ত অর্ধশতাধিক

https://www.emjanews.com/

16030

surplus

প্রকাশিত

০২ জুন ২০২৬ ১৯:৩৮

অন্যান্য

নেপালে ১৫ বাংলাদেশি আটক

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ ১৯:৩৮

ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারের আদলে অনলাইন প্রতারণা বা ‘স্ক্যাম সেন্টার’ পরিচালনার প্রস্তুতির অভিযোগে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ১৫ বাংলাদেশিসহ ১৯ বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।

গত শুক্রবার কাঠমান্ডুর প্রধান পর্যটন এলাকা থামেলে অভিযান চালিয়ে ১৫ জন বাংলাদেশি ও চারজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়। নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তারা একজন চীনা নাগরিকের পরিচালিত একটি সন্দেহভাজন স্ক্যাম সেন্টারে কর্মরত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেন, চক্রটির মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক বাংলাদেশিদের অধিকাংশই পূর্বে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচিত হওয়া কয়েকজন চীনা অপারেটরের মাধ্যমে তাদের নেপালে আনা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করত এবং অর্থ আদায় করত। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকরা। স্থানীয় নেপালি নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানের সময় একটি হোটেল থেকে কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে আরও জানা যায়, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন। হোটেলটির মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপির বিনিময়ে সেটি লিজ দিয়েছিলেন।

শুক্রবার আটক ১৯ জনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেপালের ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো বা ডিপোর্ট করা হতে পারে।

ঘটনাটি নিয়ে নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।