শিরোনাম
সাদাপাথর ভ্রমণ: পর্যটকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানাল অধিদপ্তর সিলেটের একজনসহ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ কর্মকর্তা ‘আপা’ ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি বিক্রির দায়ে জরিমানা: ওসমানীনগর ইউএনও আদ্‌-দ্বীন ভবন চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজেটে হাওরাঞ্চলের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি সিলেটে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: আজও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহাযুদ্ধ? সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি সিলেটে রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

https://www.emjanews.com/

16075

international

প্রকাশিত

০৪ জুন ২০২৬ ১১:০৯

আন্তর্জাতিক

টিকটকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইমিং এশিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী, আম্বানি নেমেছেন তৃতীয় স্থানে

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ ১১:০৯

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ার ধনীদের তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইমিং ভারতের শিল্পপতি মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে এশিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ব্যক্তির অবস্থান দখল করেছেন। একই সঙ্গে তিনি এখন চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছেন।

ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার্স সূচক অনুযায়ী, ঝ্যাং ইমিংয়ের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ৯২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সালের মার্চে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলার। গত কয়েক বছরে তার সম্পদ সাত গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাইটড্যান্সের আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত সম্প্রসারণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি এ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটকের ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি বাইটড্যান্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ‘দৌবাও’ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, দৌবাও বর্তমানে চীনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটগুলোর একটি, যার মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৩০ কোটিরও বেশি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নিজেদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে বাইটড্যান্স বড় পরিসরের বিনিয়োগ পরিকল্পনা করছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে।

অন্যদিকে, এশিয়ার ধনীদের তালিকায় মুকেশ আম্বানি বর্তমানে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ভারতের আরেক শিল্পপতি গৌতম আদানি, যার সম্পদের পরিমাণ ১১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন যথাক্রমে তাদাশি ইয়ানাই এবং মাসায়োশি সন। তাদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ও ৭২ বিলিয়ন ডলার।

তবে ফোর্বসের তাৎক্ষণিক বিলিয়নিয়ার্স তালিকায় কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। সেখানে ৮৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে মুকেশ আম্বানিই এশিয়ার শীর্ষ ধনী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গৌতম আদানি, যার সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। আর ৬৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে ঝ্যাং ইমিং অবস্থান করছেন তৃতীয় স্থানে।

ফোর্বসের বৈশ্বিক ধনীদের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক। তার সম্পদের পরিমাণ ৮২৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ল্যারি এলিসন, যার সম্পদ ২৯৬ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ল্যারি পেজ, যার সম্পদের পরিমাণ ২৯৫ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী হিসেবে অবস্থান করছেন অ্যালিস ওয়ালটন। খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্টের উত্তরাধিকারী অ্যালিস ওয়ালটনের সম্পদের পরিমাণ ১২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। বৈশ্বিক ধনীদের তালিকায় তার অবস্থান ১৬তম।