শিরোনাম
আনন্দভ্রমণে মৃত্যু: টাঙ্গুয়ার হাওরে ৪ মাসে ৫ প্রাণহানি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন স্লিপার বাস বন্ধ ও ইটিসি সিস্টেম চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন: চিকিৎসক বরখাস্তের নির্দেশ স্থানীয় নির্বাচন: জনপ্রিয়তা-গ্রহণযোগ্যতা-ত্যাগে জোর, বিদ্রোহীদের নিয়ে সতর্ক বিএনপি সিলেটে যে অপরাধে ধরা পড়লেন ২৬ জন হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হ/ত্যা সিলেট সীমান্তে ২৯ লক্ষ টাকার চো/রাচালানী মালামাল জব্দ ৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী অবশেষে সুনাই নদীতে নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল বিয়ানীবাজার

https://www.emjanews.com/

16968

sports

প্রকাশিত

০৮ জুলাই ২০২৬ ১৪:৪৮

খেলাধুলা

মিশরের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন দুই রেফারিং বিশেষজ্ঞ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬ ১৪:৪৮

ছবি: সংগৃহীত

তবে ভিএআরের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন কয়েকজন রেফারিং বিশেষজ্ঞ ইএসপিএনের রেফারিং বিশ্লেষক সাবেক রেফারি অ্যান্ডি ডেভিস ও ফক্স স্পোর্টসের রেফারিং বিশেষজ্ঞ ড. জো মাচনিক।

ইএসপিএনের রেফারিং বিশ্লেষক সাবেক রেফারি অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, মিশরের বাতিল হওয়া গোলের সিদ্ধান্তটি ফুটবলের আইন অনুযায়ী সঠিক ছিল। তার ব্যাখ্যায়, আক্রমণ গড়ার একই ধারাবাহিকতায় যদি কোনো ফাউল থেকে গোলের সৃষ্টি হয়, তাহলে ভিএআর সেই ঘটনাটি পর্যালোচনা করে গোল বাতিল করতে পারে।

একই মত দিয়েছেন ফক্স স্পোর্টসের রেফারিং বিশেষজ্ঞ ড. জো মাচনিক। তিনি বলেন, ‘একই আক্রমণপর্বে সংঘটিত ফাউলের পর গোল হলে ফাউল ও গোলের মধ্যকার সময় বা দূরত্ব বিবেচ্য নয়। আইএফএবির আইন অনুযায়ী ভিএআর সেই ফাউল শনাক্ত করে গোল বাতিল করতে পারে।’

সালাহর পেনাল্টির দাবির ঘটনাটিও ব্যাখ্যা করেছেন এই দুই বিশেষজ্ঞ। তাদের মতে, সালাহ ও আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডারের বুটের মধ্যে কিছু সংস্পর্শ হয়েছিল ঠিকই, তবে সেটি ছিল দুই খেলোয়াড়ের স্বাভাবিক দৌড়ের গতির ফল। ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জকে অসতর্ক, বেপরোয়া বা ফাউল হিসেবে গণ্য করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল না। তাই মাঠের রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেটি সঠিক ছিল।

রেফারিং বিশেষজ্ঞদের আরেকটি অংশও মনে করেন, সালাহর পেনাল্টির দাবি এবং মিশরের বাতিল হওয়া গোল; এই দুটি ঘটনার প্রকৃতি এক নয়। তাদের মতে, সালাহর ঘটনায় কেবল স্বাভাবিক শারীরিক সংস্পর্শ হয়েছিল এবং সংস্পর্শের আগেই তিনি কার্যত বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। ফলে বল দখল নেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো ফাউল হয়নি। এ কারণে পেনাল্টি না দেওয়া এবং ভিএআরের হস্তক্ষেপ না করাই ছিল নিয়মসম্মত সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে, মিশরের বাতিল হওয়া গোলের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার একজন খেলোয়াড় বলের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেই অবস্থায় ফাউল করে বলের দখল নেওয়ার পরই আক্রমণটি গড়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত গোল হয়। ফলে আইন অনুসারে গোল বাতিল; ও ভিআর এর হস্তক্ষেপ না করার দুটিই নিয়মসঙ্গত ছিল বলে মত দিয়েছেন তারা।