https://www.emjanews.com/

17183

surplus

প্রকাশিত

১৮ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৩

অন্যান্য

মালয়েশিয়ার জোহরে আটক বাংলাদেশিদের পাশে হাইকমিশন

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৩

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পিকেনানাস ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে আটক বাংলাদেশি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আটক প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল।

গেলো ১৬ জুলাই বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (লেবার) সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পিকেনানাস ইমিগ্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ক্যাম্পে আটক ৪৯ জন বাংলাদেশি কর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের বর্তমান অবস্থা, বিভিন্ন সমস্যা এবং দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধিদল আটক কর্মীদের অভিযোগ ও প্রয়োজনীয়তার কথা শোনেন। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে দীর্ঘদিন পর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন তারা। এ উদ্যোগে আটক প্রবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আটক কর্মীদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা দেওয়া হয়। দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (টিপি) ইস্যুসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রস্তুতে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

প্রতিনিধিদল ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে আটক বাংলাদেশিদের সার্বিক অবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন।

হাইকমিশনের কর্মকর্তারা জানান, হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর নির্দেশনায় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রে নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আটক বাংলাদেশিদের পরিচয় যাচাই, ট্রাভেল পারমিট ইস্যু এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে হাইকমিশন।

তারা আরও জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই হাইকমিশনের অন্যতম অগ্রাধিকার।