শিরোনাম
২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন নিয়েছেন জামায়াত নেতা! থামেনি সিলেটের পাথর লুট, সিন্ডিকেটের দখলে নদী-খনি জাফলংয়ে রেল, তামাবিলে চার লেন: অগ্রগতির ঘোষণা মন্ত্রীর সিলেটের তিনজনসহ আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার, দেশে ফিরলেন সিলেটের ৩ নাগরিকসহ ২৩ বাংলাদেশি ওসমানী বিমানবন্দরের কর্মকর্তা নি/খোঁজ নিয়ে ধোঁয়াশা: গাফিলতি নেই দাবি কর্তৃপক্ষের ওসমানী বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ৩ সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ: কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশ্ন পরিবারের সুনামগঞ্জের হাওরে নৌকাডুবি: একজনের ম/রদেহ উদ্ধার, নি/খোঁ/জ ৩ জৈন্তাপুরে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ, পুলিশ বলছে এমন কিছুই ঘটেনি সিলেটে দিনভর তারেক রহমানকে ঘিরে এনসিপির কড়া সমালোচনা, ‘ সমালোচনা থেকে পিছপা হব না’

https://www.emjanews.com/

17479

sylhet

প্রকাশিত

০১ আগস্ট ২০২৬ ২০:৪৯

সিলেট

নবীগঞ্জে বইপড়া কর্মশালা, তরুণদের বইমুখী হওয়ার আহ্বান

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ ২০:৪৯

ছবি: ইমজা নিউজ

সংবেদনশীল ও মানবিক সমাজ গড়তে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব মোস্তফা মোরশেদ।

শনিবার (১ আগস্ট) হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ আয়োজিত বইপড়া বিষয়ক কর্মশালা, পুরস্কার বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

যুগ্ম-সচিব মোস্তফা মোরশেদ বলেন, ‘জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বই মানুষের ভেতরের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ দেখায়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে যখন আমাদের তরুণ প্রজন্ম স্ক্রিন অ্যাডিকশনে ভুগছে, তখন গ্রামাঞ্চলে বইপড়ার এমন আন্দোলন সত্যিই প্রশংসনীয়। এই কর্মশালা তরুণ ও কিশোর পাঠকদের মননশীলতার চর্চায় নতুন উদ্দীপনা জোগাবে।’

গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রত্নদীপ দাস রাজুর সভাপতিত্বে এবং রামু চন্দ্র দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এতে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে গ্রন্থাগারটিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা হিসেবে অভিহিত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও পদক্ষেপ গণপাঠাগারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মো. মাজহারুল ইসলাম রুবেল বলেন, একটি প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি লাইব্রেরিতে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে অনন্য হয়ে উঠতে হবে। মননশীলতা গঠনে বই যেমন জরুরি, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বৃক্ষরোপণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের অনেক মানবিক বিচ্যুতি ইতিহাস একসময় ভুলে যেতে পারে, কিন্তু দেশ ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাকে ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না, ভুলেও না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের গৌরবগাথা যতদিন পৃথিবীতে মানুষ থাকবে, ততদিন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তাদের চেতনায় অম্লান হয়ে থাকবে। তাই নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে বই পড়ার বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, হবিগঞ্জ জেলা ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার এস এম মিজানুর রহমান, শিক্ষক নিপা খান, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, আয়ারল্যান্ড প্রবাসী সাজেদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত গ্রন্থপাঠে অংশগ্রহণকারী ২৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনীতে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন অতিথিরা।