শিরোনাম
২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন নিয়েছেন জামায়াত নেতা! থামেনি সিলেটের পাথর লুট, সিন্ডিকেটের দখলে নদী-খনি জাফলংয়ে রেল, তামাবিলে চার লেন: অগ্রগতির ঘোষণা মন্ত্রীর সিলেটের তিনজনসহ আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার, দেশে ফিরলেন সিলেটের ৩ নাগরিকসহ ২৩ বাংলাদেশি ওসমানী বিমানবন্দরের কর্মকর্তা নি/খোঁজ নিয়ে ধোঁয়াশা: গাফিলতি নেই দাবি কর্তৃপক্ষের ওসমানী বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ৩ সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ: কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশ্ন পরিবারের সুনামগঞ্জের হাওরে নৌকাডুবি: একজনের ম/রদেহ উদ্ধার, নি/খোঁ/জ ৩ জৈন্তাপুরে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ, পুলিশ বলছে এমন কিছুই ঘটেনি সিলেটে দিনভর তারেক রহমানকে ঘিরে এনসিপির কড়া সমালোচনা, ‘ সমালোচনা থেকে পিছপা হব না’

https://www.emjanews.com/

17488

national

প্রকাশিত

০২ আগস্ট ২০২৬ ০০:৫৭

আপডেট

০২ আগস্ট ২০২৬ ০১:০১

জাতীয়

২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন নিয়েছেন জামায়াত নেতা!

প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬ ০০:৫৭

ছবি: সংগৃহীত

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘ ২০ বছর সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী। তিনি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারিও।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। মৃত জুনিয়র শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনের নামের সঙ্গে অভিযুক্তের নাম এক হওয়ায় সেই সুযোগ কাজে লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. নুরুজ্জামান মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি ঘটনার তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৪ সালে জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান মো. মহিউদ্দিন। পরে তাঁর মৃত্যু হলে পদটি শূন্য হয়ে যায়।

এরপর ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ২০০৬ সাল থেকে সরকারি বেতন-ভাতা তুলে আসছেন।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুন মাসের এমপিও কপিতেও মৃত শিক্ষকের ওই ব্যাংক হিসাব নম্বরই ব্যবহার করা হয়েছে।

মাদ্রাসার সুপার নুরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর নজরে আসে। তদন্ত হলে দীর্ঘ ২০ বছরে সরকারি লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি দাবি করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন। তাঁর দাবি, হিসাব নম্বর এক হলেও ওই অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন তোলা হয়নি। তবে তিনি কোন হিসাবে বেতন তুলেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি।

তজুমদ্দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। অভিযোগের সত্যতা মিললে সরকারি টাকা উদ্ধারসহ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (সূত্র: বাংলা ট্রিব্রিউন অনলাইনে প্রকাশিত খবর)