ছবি: ইমজা নিউজ
দেশের স্বাস্থ্যখাতে সেবার মান নিশ্চিত ও জনবল সংকট নিরসনে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জরুরি ভিত্তিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। মূলত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের শূন্য পদগুলো পূরণের মাধ্যমে এই জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠিতে দেশের সব সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০১৮ অনুসরণ করে পদোন্নতি ও সরাসরি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েও আইনি বা প্রশাসনিক কারণে প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি, সেসব পদের জন্য নতুন করে ছাড়পত্র নিয়ে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
এছাড়া নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো মামলা বা জটিলতা থাকলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বিধিমালা পরিবর্তনের কারণে পদোন্নতি জটিলতায় থাকা প্রধান সহকারী ও সমমানের পদধারীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
সার্বিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গতি নিশ্চিত করতে কড়া তদারকির ব্যবস্থা নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছকে অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখায় হার্ডকপি ও ই-মেইল যোগে পাঠাতে হবে।
সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
