শিরোনাম
আনন্দভ্রমণে মৃত্যু: টাঙ্গুয়ার হাওরে ৪ মাসে ৫ প্রাণহানি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন স্লিপার বাস বন্ধ ও ইটিসি সিস্টেম চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন: চিকিৎসক বরখাস্তের নির্দেশ স্থানীয় নির্বাচন: জনপ্রিয়তা-গ্রহণযোগ্যতা-ত্যাগে জোর, বিদ্রোহীদের নিয়ে সতর্ক বিএনপি সিলেটে যে অপরাধে ধরা পড়লেন ২৬ জন হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হ/ত্যা সিলেট সীমান্তে ২৯ লক্ষ টাকার চো/রাচালানী মালামাল জব্দ ৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী অবশেষে সুনাই নদীতে নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল বিয়ানীবাজার

https://www.emjanews.com/

18185

international

প্রকাশিত

২৯ আগস্ট ২০২৬ ২০:০১

আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী ঠেকাতে ৬ দফা দাবি

রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সমাবেশ

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬ ২০:০১

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার তেরেংগানু রাজ্যের কেমামানকে অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) মুক্ত করতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার, আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং অবৈধ অভিবাসী নিয়োগকারী নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। এ দাবিতে কেমামানে সমাবেশ করেছে দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।

‘কেমামান বেবাস পিএটিআই’ (কেমামান অবৈধ অভিবাসীমুক্ত) শীর্ষক এ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দেওয়ান পেমুদা পাস কাওয়াসান কেমামান, পেমুদা ইউএমএনও কেমামান এবং এনজিও কিতা কেমামানের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

সমাবেশ-পরবর্তী এক বিবৃতিতে আয়োজকরা বলেন, তাদের কর্মসূচি ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কোনো ধরনের সহিংসতা বা কোনো জাতিগোষ্ঠীকে অপমান করার উদ্দেশ্যে তারা সমাবেশ করেননি। জনগণের দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা মানুষকে সম্মান করি, একই সঙ্গে আইনকেও সম্মান করি। আমরা মানবিকতাকে সমুন্নত রাখি, পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় থাকি।’

মালয়েশিয়া যেন তার সামর্থ্য অনুযায়ী মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখে, তবে এর কারণে দেশটির নাগরিকরা যেন নিজেদের দেশেই পিছিয়ে না পড়েন- এমন আহ্বানও জানানো হয়।

সমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, দেশের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ জোরদার, আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, অবৈধ অভিবাসী-সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান, আইন লঙ্ঘনকারী নিয়োগকর্তাদের গ্রেফতার, শরণার্থী ব্যবস্থাপনায় সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।

আয়োজকরা বলেন, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে শুধু বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না; যারা অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও আশ্রয় দিয়ে আইন লঙ্ঘন করছে, সেই নিয়োগকর্তা ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তারা আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত এবং দেশের প্রচলিত আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একই সঙ্গে শরণার্থী ও অভিবাসীদের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট ও কার্যকর নীতি থাকা প্রয়োজন।

বিবৃতিতে মালয়েশিয়াকে শান্তিপূর্ণ, সার্বভৌম ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি দেশের নাগরিকদের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও কল্যাণ সুরক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকরা বলেন, জনগণের নিরাপত্তা, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার দাবিতে তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশ শেষে ‘জনগণের জয় হোক, মালয়েশিয়ার জয় হোক’ এবং ‘মালয়েশিয়া একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র’ এমন স্লোগান দেওয়া হয়।