শিরোনাম
সিলেটের রায়নগর ট্রিপল মার্ডার: মামলা যাচ্ছে পিবিআই’তে! শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ওসমানী হাসপাতালে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় সিলেটে সম্প্রীতির বার্তা সিলেটে চালু হচ্ছে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল ও ক্যান্সার ইনস্টিটিউট সিলেটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মাজার জিয়ারত কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের হেনস্তা করল বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘সাত দিনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান’ স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিসরে জনবল নিয়োগ দেবে সরকার : সিলেটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হ্যান্ডকাফসহ পলায়ন, ‘লাইভে’ চমক দেখানো আসির সুনামগঞ্জ শহর থেকে আটক ওসমানী হাসপাতালসহ ৩টি হাসপাতাল পরিদর্শন করতে শুক্রবার সিলেট আসছেন স্বাস্থ্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম সিলেট আসছেন হুমায়ুন কবির

https://www.emjanews.com/

18327

weather

প্রকাশিত

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:০৫

আপডেট

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:০৭

আবহাওয়া

বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া ঝুঁকি: এল নিনোর সতর্কবার্তা

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:০৫

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে প্রকৃতি ও আবহাওয়া যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করতে শুরু করেছে। শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘এল নিনো’র প্রভাবে পৃথিবী এখন এক ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’ প্রবেশ করেছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলমান এই প্রাকৃতিক পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে এবং এর প্রভাব অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বজায় থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি ১৯৫০ সালের পর এটিই হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী এল নিনো।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আবহাওয়া চক্রে আমূল পরিবর্তন আসছে। এর ফলে কোথাও দেখা দেবে দীর্ঘমেয়াদি খরা ও ভয়াবহ দাবানল, আবার কোথাও অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হবে বিধ্বংসী বন্যা ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। বিশেষ করে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে যখন এই এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হয়, তখন পরিস্থিতির ভয়াবহতা বহুগুণ বেড়ে যায়।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্কবার্তায় বলেছেন, এল নিনো আমাদের চোখের সামনে ক্রমেই দানবীয় রূপ ধারণ করছে। পৃথিবী এখন এক অনিশ্চিত ও অজানা পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড প্রতিনিয়ত ভেঙে যাচ্ছে।

ডব্লিউএমওর তথ্যমতে, প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট কিছু পর্যবেক্ষণ এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতোমধ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ব্যবধান প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

আবহাওয়ার এই প্রতিকূল পরিবর্তনের ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাত অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে অতিবৃষ্টির ফলে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

ডব্লিউএমও মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করেছেন যে, এল নিনোর এই তাণ্ডব বিশ্ব অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি বিশ্বনেতাদের আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।