ছবি: সংগৃহীত
হাসান মাহমুদ এখন কেন্টের ‘পোস্টার বয়’। ইংলিশ কাউন্টি ক্লাবটির হয়ে বাংলাদেশের এই পেসার খেলছেন চতুর্থ ম্যাচ। ম্যাচের সংখ্যা কম হলেও এরই মধ্যে বল হাতে কেন্টের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছেন তিনি।
গতকাল ডার্বিশায়ারের বিপক্ষেও দলের সেরা বোলার ছিলেন হাসান। ১৫.৫ ওভার বোলিং করে মাত্র ৩০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট, যা ছিল কেন্টের হয়ে সর্বোচ্চ।
অচেনা ইংলিশ কন্ডিশনে কীভাবে নিজের সেরাটা দিচ্ছেন হাসান? ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে তাঁর বোলিং পরিকল্পনাই বা কী ছিল? কেন্ট ক্রিকেটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তাঁর কথাতেই মিলেছে সেই উত্তর।
নিজের বোলিং পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসান বলেছেন, ‘নতুন উইকেটে আমার পরিকল্পনা ছিল লেংথে জোর দিয়ে বল করা এবং যতটা সম্ভব কম রান দেওয়া।’
সেই পরিকল্পনা যে তিনি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন, তা তাঁর বোলিং পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। প্রায় ১৬ ওভার বোলিং করে ওভারপ্রতি গড়ে ২ রানও দেননি হাসান।
শুধু হাসান নন, ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের হয়ে বাংলাদেশের আরেক পেসার খালেদ আহমেদও নজর কেড়েছেন। কেন্টের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
হাসান ও খালেদই মূলত ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের দুই সেরা বোলার ছিলেন। তাঁদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদেই ডার্বিশায়ার ঘরের মাঠে প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানে অলআউট হয়।
খালেদের পারফরম্যান্সে নিজের সন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছেন হাসান। তিনি বলেন, ‘বোলিংয়ে সঙ্গী হিসেবে খালেদকে সঙ্গে পাওয়ায় অবশ্যই ভালো লেগেছে। ওর জন্য আমি খুবই খুশি। কেন্টের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই তিনটি উইকেট নিয়েছে। আশা করি, পরের ইনিংসেও ওর ভালো যাবে।’
কেন্ট দলে দুজন বাংলাদেশি খেলায় বাংলাদেশের সমর্থকেরাও খুশি-এটিও টের পেয়েছেন হাসান। তিনি বলেন, ‘দুজন কেন্টের হয়ে খেলছে, এতে বাংলাদেশের মানুষও খুব খুশি। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় যা ঘটেছে, তারপর এ বিষয়টি আমাদের জন্য আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে।’
