শিরোনাম
ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক ভারতে কয়লা খনিতে সিলেটের যুবকের মৃ/ত্যু সুনামগঞ্জের ৩ যুবককে কাশ্মীরে পাচার, দফায় দফায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সালমান শাহ হ/ত্যা: ডনের আচরণে মিলেছে ‘সংশ্লিষ্টতার আভাস’ সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ

https://www.emjanews.com/

18503

sylhet

প্রকাশিত

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৪৩

সিলেট

সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৪৩

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।

সমাবেশে সাদা দলের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্বকালে নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও নানা ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

আন্দোলনকারীরা বলেন, অবিলম্বে উপাচার্য পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে উপাচার্যের অপসারণ চেয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর লিখিত আবেদন পাঠানোর কথাও জানান তারা।

এর আগে উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি প্রশাসনিক পদ থেকে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন।

তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম। তার দাবি, তাকে হেয় করা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

এদিকে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।