শিরোনাম
সিলেটসহ ৬ শহরে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলায় জেলায় মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী ‘আমাকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনুন’, সৌদি থেকে হবিগঞ্জের রেহেনার আকুতি মৃত চেলায় দিনরাত চলছে শতাধিক ড্রেজার, দুই দিনে ২০ কোটি টাকার বালু লুটের অভিযোগ সিলেটে আন্দোলনের মুখে সুরমা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ ৭২ শিক্ষানবিশ এএসপির পদায়ন, সিলেটে দুইজন সুখবর দিলেন মন্ত্রী আরিফ: ১০ হাজার কর্মী নিচ্ছে যে দেশ সিলেটে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে হচ্ছে কমিটি: মন্ত্রী আরিফুল হক খু/ন করে পালিয়ে সিলেটে লুকানোর চেষ্টা: অবশেষে ধরা সিলেট সীমান্তে চো/রাচালান পণ্য জব্দ বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে সিলেটে আইসিসির প্রতিনিধি দল

https://www.emjanews.com/

19302

international

প্রকাশিত

০৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:২৭

আন্তর্জাতিক

৭০ মিটার গভীর কূপ থেকে শিশুকে উদ্ধার করল ১১ বছরের হাজরত

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:২৭

ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে ৭০ মিটার গভীর একটি সরু কূপে পড়ে গিয়েছিল পাঁচ বছর বয়সী জাইনুল্লাহ। দুই দিন ধরে অন্ধকার, ঠান্ডা ও পানিতে ভরা কূপের নিচে আটকে ছিল সে। কূপটির মুখ ছিল মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার চওড়া হওয়ায় কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সেখানে নামতে পারছিলেন না।

উদ্ধারকারীরা প্রথমে দড়ি ও ক্যামেরার সাহায্যে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কয়েকজন শিশুকেও নিচে নামানো হয়েছিল, কিন্তু কূপটি এতটাই সরু ছিল যে তারা শ্বাসকষ্টের কারণে ফিরে আসে।

শেষ পর্যন্ত এগিয়ে আসে ১১ বছরের হাজরত ওমর। এর আগে একটি উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল তার। পরিবারের সম্মতি নিয়ে জীবনের ঝুঁকি জেনেও সে কূপে নামতে রাজি হয়।

প্রথমবার নিচে নামার সময় তার শরীর কূপের দেয়ালে আটকে যায়। পরে তাকে তুলে এনে আবার নামানো হয়। দ্বিতীয়বার সে সফলভাবে জাইনুল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। এরপর জাইনুল্লাহর হাত দড়ির সঙ্গে বেঁধে দেয় হাজরত। ওপরে থাকা লোকজন ধীরে ধীরে দড়ি টেনে দুজনকেই নিরাপদে ওপরে তুলে আনেন।

জাইনুল্লাহকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরদিনই সে বাড়ি ফিরে আসে। তার বাবা বলেন, হাজরত যেন তার ছেলেকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছে।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিনের খরা ও পানির সংকটের কারণে কৃষকেরা গভীর বোরওয়েলের ওপর বেশি নির্ভর করছেন। অনেক কূপ শুকিয়ে যাওয়ার পর সেগুলো ঠিকমতো বন্ধ না করেই পরিত্যক্ত থাকে। ফলে শিশুদের জন্য এগুলো মারাত্মক ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।

উদ্ধারকারী মিরাজান আবদুল্লাহ গত চার বছরে ১১৩টি অভিযানে অংশ নিয়ে প্রায় ৭০ জনকে বাঁচিয়েছেন। তিনি আরও মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন দুর্ঘটনায় দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান।

জাইনুল্লাহকে বাঁচানোর পর হাজরত এখন তার গ্রামের শিশুদের কাছে একজন সাহসী নায়ক।