ছবি: সংগৃহীত
বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রশিক্ষণভিত্তিক ভিসা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১২ নভেম্বর থেকে এ ভিসার আওতায় আবেদন নেওয়া শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশিরাও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ ভিসার মূল উদ্দেশ্য হলো, বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ পেশা, উচ্চশিক্ষার বিষয় কিংবা নির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া। পাশাপাশি পেশাগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন আবেদনকারীরা।
তবে এ ভিসায় আবেদনের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অনুমোদিত স্পনসর থাকতে হবে। সাধারণ নিয়মে স্পনসর প্রতিষ্ঠানকে আবেদনকারীর জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মনোনয়ন জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরই ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।
প্রশিক্ষণের ধরন অনুযায়ী এই ভিসায় তিন ধরনের সুযোগ রয়েছে-
১. কোনো পেশায় নিবন্ধন বা লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।
১. নির্দিষ্ট যোগ্য পেশায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।
৩. বিদেশে পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, উচ্চতর যোগ্যতা অর্জন কিংবা বিশেষ উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ।
এ ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে। তবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য শর্তের ভিত্তিতে মেয়াদ নির্ধারিত হবে। ভিসার জন্য আবেদনকারীর বয়স সাধারণত কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য, চরিত্র ও ইংরেজি ভাষাসংক্রান্ত শর্তও পূরণ করতে হবে।
আবেদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে আগামী ১২ নভেম্বর থেকে। ওই দিন থেকে আবেদনকারীকে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার সময় এবং ভিসা অনুমোদনের সময়-দুই ক্ষেত্রেই অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকতে হবে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ১২ নভেম্বর বা এর পর অস্ট্রেলিয়ার ভেতর থেকে আবেদন করলে তা অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। তবে এর আগে জমা দেওয়া বৈধ আবেদন পুরোনো নিয়মে বিবেচনা করা হবে।
