শিরোনাম
‘গুজব’ বলার কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ, সেই অ/স্ত্র নিয়ে মুখ খুললেন ইশরাক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফ/তার ২৭ সিলেটের মহালক্ষ্মীপীঠ ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত, আজ মহাঅষ্টমী ফেসবুক পোস্টে জানালেন দুপুরে পদত্যাগ করবেন ইশরাক ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জে সিলেট অভিমুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন সোমবার সিলেটে ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী, যাবেন পূজামণ্ডপে চেলা নদীতে বালু লুট: মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে, নির্দোষদের আসামি করার অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে মামলা, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন সিলেটে যে কারণে স্বপন ও আকাশকে ধরল পুলিশ

https://www.emjanews.com/

8856

national

প্রকাশিত

২৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪৩

আপডেট

২৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৫৩

জাতীয়

কক্সবাজারে ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস’ পালিত, প্রত্যাবাসন ও বিচার দাবি

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪৩

ছবি: সংগৃহীত।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে সোমবার (২৫ আগস্ট) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস’ পালিত হয়েছে। বিশেষত উখিয়ার মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের ফুটবল খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রায় ২৫-৩০ হাজার রোহিঙ্গা অংশগ্রহণ করেন। এই সমাবেশে রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে ফেরার আকুতি জানিয়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত গণহত্যার বিচার দাবি করেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গারা নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর ২৫ আগস্ট এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে উখিয়া ও টেকনাফের অন্তত ১৫টি আশ্রয়শিবিরে মানববন্ধন, পথসভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ জুবায়ের বলেন, ‘রোহিঙ্গারা প্রত্যাবাসনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। তবে রাখাইনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব কিনা তা আন্তর্জাতিক মহলকে বিবেচনা করতে হবে। মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে চুক্তি করলেও আরাকান আর্মির বাধার মুখে পড়তে হবে।’

রোহিঙ্গা নেতা কামাল হোসেন বলেন, ‘সামরিক বাহিনী গুলি করে হাজারো রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যা করেছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান গণহত্যার মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত চাই।’

সমাবেশে রোহিঙ্গারা নিজের দেশে নিরাপদভাবে ফিরে যাওয়ার, সহায়-সম্পত্তি ফিরিয়ে পাওয়ার এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের দাবি জানান। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে।

বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩ আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে ১ লাখ ২৪ হাজার এসেছে শেষ ১৮ মাসে। কিন্তু গত আট বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।