ছবি: সংগৃহীত
নতুন প্রজন্মকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হলে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন বিকল্প নেই। যেখানে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। বিয়ানীবাজার উপজেলার সুপাতলা গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে তেমনই একটি বিদ্যাপীঠ নিদনপুর-সুপাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরেজমিনে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেল উৎসবমুখর পরিবেশ। পড়াশোনার প্রতি শিশু শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে আয়োজন করা করা হয়েছে শিশু বরণ উৎসব। বছরের শুরু থেকেই শিশুদের শ্রেণিমুখী করতে বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ শিশু শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিতে শ্রেণী শিক্ষক জাহেদা বেগমের এমন আয়োজন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন রশীদ এর দিকনির্দেশনা আর অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় এদিন বিদ্যালয়ের পরিবেশ ছিল অন্য দিনের তুলনায় একটু ভিন্ন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন রশীদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিশু বরণ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অর্চনা চক্রবর্তী, দিপা বেগম, সুহানা আক্তার সুমি, জাহেদা বেগম, পুরবী দাস, সাদেক হাসান, রুপালী রাণী দাস তুলি, ফারহানা হোসেন সহ বিদ্যালয়ের অভিবাবক এবং শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য শিশু বরণ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো: তাহসান সারিম বলেন, আজকে আমাদের ফুল দিয়ে ক্লাসে স্বাগত জানানো হয়েছে, যেটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। তারপর আমার সব সহপাঠীদের নিয়ে কেক কাটা হয়েছে। আমরা সবাই মিলে সেটা উপভোগ করেছি। শিক্ষকরা বলেছেন আমরা যদি ভালো মতো পড়াশোনা করি তাহলে আমাদেরকে নিয়ে এরকম অনুষ্ঠান করা হবে, যেখানে আমরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে পারবো।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন রশীদ বলেন, শিশুদের শিক্ষাজীবনের শুরুতে তাদেরকে চাপ দিয়ে পড়াশোনা আদায় করা যাবে না, তাদেরকে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিয়ে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। আমার বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। আমরা শিশুদের শ্রেণিমুখী করতে ভিন্ন আয়োজন করি যাতে তারা স্কুলে আসতে আগ্রহী হয়।
