ছবি: মাওলানা হাবিবুর রহমান
সিলেট মহানগর ও সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি আন্তরিক মুবারকবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বি ও জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান। একই সাথে তিনি বাসায় এসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করায় বিজয়ী প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অভিনন্দন জানান।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) এক বিবৃতিতে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জনসাধারণ ভোটে অংশ নিয়েছেন। উক্ত নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট প্রদানের মাধ্যমে আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশে আমি আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। আপনাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হওয়ার নয়। বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারণাকালে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের সর্বস্তরের নেতাকর্মী যে পরিমান শ্রম দিয়েছেন তা আমি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবো। আমি আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকবো। ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘ভোট শেষ হওয়ার পর সিলেট সদর উপজেলা ও নগরীর বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িপাল্লার এজেন্ট, কর্মী ও সমর্থকদের উপর হামলা, বাসা-বাড়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর এবং হুমকী-ধামকীর ঘৃণ্য ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনের পর এমন হামলা ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি। এই ধরণের কর্মকান্ড শান্তিপূর্ণ সিলেটবাসী মেনে নিবে না। অবিলম্বে এই ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিজয়ী এমপির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। বিজয়ী দলকে ভুলে গেলে চলবে না যে, আমরা এক সাথে দীর্ঘ ২ যুগ সরকার পরিচালনা ও আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। আমরা উভয়েই মজলুম। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দেশের গণতন্ত্রের বিকাশে জামায়াত সবসময় অগ্রনী ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। সিলেটের উন্নয়ন অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকাশে জামায়াতের কর্মপন্থা অব্যাহত থাকবে। ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির সিলেট ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
